Noapara School Students in TMC Rally: পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রায় স্কুল পড়ুয়ারা! পানিহাটির TMC প্রার্থীকে নিয়ে জোর বিতর্ক
Noapara TMC rally controversy: বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং প্রশ্ন তোলেন, "একজন প্রধান শিক্ষক কীভাবে একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থীর মিছিলে পড়ুয়াদের নিয়ে আসতে পারেন? এর পেছনে নিশ্চিতভাবে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।" বাম প্রার্থী গার্গী চট্টোপাধ্যায়ও প্রধান শিক্ষকের এই ভূমিকার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া, ওই শিক্ষক কীভাবে ভোটের ডিউটিতে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন দুই বিরোধী প্রার্থীই।

উত্তর ২৪ পরগনা: পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রায় স্কুল পড়ুয়াদের সামিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক দানা বাঁধল উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে। নোয়াপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের মিছিলে ইছাপুরের একটি বেসরকারি স্কুলের ছাত্রদের নিয়ে আসার অভিযোগ উঠল খোদ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধী শিবির।
বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এবং বাম প্রার্থী গার্গী চট্টোপাধ্যায়—উভয়েই এই ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নাবালক পড়ুয়াদের ব্যবহার করে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন লঙ্ঘন করা হয়েছে।
বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং প্রশ্ন তোলেন, “একজন প্রধান শিক্ষক কীভাবে একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থীর মিছিলে পড়ুয়াদের নিয়ে আসতে পারেন? এর পেছনে নিশ্চিতভাবে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।” বাম প্রার্থী গার্গী চট্টোপাধ্যায়ও প্রধান শিক্ষকের এই ভূমিকার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া, ওই শিক্ষক কীভাবে ভোটের ডিউটিতে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন দুই বিরোধী প্রার্থীই।
বিতর্ক প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর চিফ ইলেকশন এজেন্ট প্রদীপ বসুর সাফাই বলেন, “এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল ছিল না, বরং নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়ের একটি অনুষ্ঠান ছিল। প্রধান শিক্ষক পড়ুয়াদের নিয়ে কেবলমাত্র শুভেচ্ছা জানাতেই এসেছিলেন। সেখানে যে কেউ উপস্থিত থাকতে পারেন, এতে অন্যায়ের কিছু নেই।”
তবে ভোটের মুখে স্কুল পড়ুয়াদের রাজনৈতিক ছোঁয়ায় নিয়ে আসায়, গুঞ্জন শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের ভিত্তিতে কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সেটাই দেখার।
