কলকাতা: হেরেছেন ৩ লাখের বেশি ভোটের বিশাল ব্যবধানে। সন্দেশখালি ইস্যুকে হাতিয়ার করে লাভের গুড় খুব একটা ঘরে তুলতে পারেনি বঙ্গ বিজেপি। ঘাসফুল ঝড়ে মুখ থুবড়ে পড়েছেন সন্দেশকালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্র। যদিও ভোটে ইতিমধ্যেই কারচুপির অভিযোগে সরব হয়েছেন রেখা পাত্র। কিন্তু, নানা মহল থেকে আবার বলা হচ্ছে ভোটের পর আর খুব একটা সন্দেশখালির ময়দানে দেখা যাচ্ছে না রেখাকে। তবে কি তিনি বেপাত্তা? যদিও রেখা স্পষ্টতই বলছেন, “সময় হলেই সন্দেশখালিতে যাব। আমি চোর নয় যে লুকিয়ে থাকব। আমি কবে যাব সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এই লড়াই শক্তিশালী করার জন্য মানুষের পাশে দাঁড়াব।”
এদিকে ভোটের ফল সামনে আসতে না আসতেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে লাগাতার আসছে হিংসার খবর। অভিযোগ, বহু জায়গাতেই তৃণমূলের রোষানলে পড়ছেন পদ্ম কর্মীরা। যদিও রেখার দাবি, এলাকা থেকে এ ধরনের খবর এলেই তিনি ছুটে গিয়েছেন। বলছেন, “অত্যাচারিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। ঘরছাড়া হয়েও বিজেপিকে সমর্থন করার জন্য আমি মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। যেখানে মানুষের উপরে অত্যাচার হবে সেখানে যাব। রেখা পাত্রকে প্ল্যানিং করে হারানো হয়েছে। রেখা পাত্র হার স্বীকার করেনি। রাজনীতিতে এসেছি যখন রাজনীতিতেই থাকব।”
এদিকে আবার পরাজিত হতেই দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা গিয়েছে অমৃতা রায়, দিলীপ ঘোষের মতো নেতাদের। এবার যেন একই লাইনে হাঁটলেন রেখাও। সাফ বললেন, “যারা এই হারের পিছনে আছে, আমাদের যে কার্যকর্তারা দল করে পিছন থেকে ছুরি মেরেছেন তাঁরা একদিন জবাব পেয়ে যাবেন। যে দল সম্মান দিল সেই দলকে অসম্মানিত করার জন্য তৃণমূলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ওঁরা যা করেছেন জবাব পেয়ে যাবেন।” তাহলে ছুরিটা কে মারল? উত্তরে রেখা বললেন, “প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতাকে ছোট করার জন্য প্ল্যানিং করে হারানো হয়েছে। এই হার পরাজয় হিসাবে মানছি না। যতই মিথ্যা আশায় বুক বাঁধুন। বেশিদিন বুক বেঁধে থাকতে পারবেন না।” অন্তর্ঘাতকারীদের চিহ্নিত করা কী সম্ভব হয়েছে? যদিও এ ক্ষেত্রে রেখা বলছেন, “সেটা আমার কাজ নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আছেন। বিরোধী দলনেতা আছেন।”