Sandeshkhali: ধামাচাপা দিয়েও থাকল না চাপা! শাহজাহানের ‘মেন্টরে’র ডেরায় ছিপ ফেলে নাম বার করেই ফেলল ED

Sandeshkhali: রিন্টু মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার সাতটি ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে। মোট দুটি ব্যাগে ডায়েরি-সহ একধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ডায়েরিতে বেশ কিছু নামও লেখা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই তথ্য এই মামলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

Sandeshkhali: ধামাচাপা দিয়েও থাকল না চাপা! শাহজাহানের মেন্টরের ডেরায় ছিপ ফেলে নাম বার করেই ফেলল ED
সন্দেশখালিতে তেড়েফুঁড়ে ইডি-র তল্লাশিImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 14, 2024 | 5:12 PM

কলকাতা:  শেষ হয়েও যেন শেষ হচ্ছে না শাহজাহান অধ্যায়। শাহজাহানের একের পর  নতুন কীর্তি ফাঁস হচ্ছে। মাছের আমদানি ও রফতানি ব্যবসায় বিপুল কালো টাকা পাচারের অভিযোগ উঠছে এবার। দ্বিতীয় ECIR করে তদন্ত শুরু করেছে ইডি।  আর শাহজাহান যে সব তথ্য চাপা দিতে, ইডি তল্লাশির পর নিজের বাড়িতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়েছিলেন অন্যের বাড়িতে, কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সে ‘কেউটে’ বার করেই ফেলল ইডি।

বৃহস্পতিবার শাহজাহান ঘনিষ্ট ব্যবসায়ীদের বাড়িতে, বাজারে তল্লাশি ইডির। সন্দেশখালির ধামাখালিতে ইডির হানা। ধামাখালির বিভিন্ন জায়গায় হানা কেন্দ্রীয় এজেন্সির। শাহজাহানের ইটভাটাতেও চলছে তল্লাশি। ইটভাটার বাইরে মোতায়েন থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর ভিতরে চলে কর্তাদের ফাইল-ঘাটা। শাহজাহান কাণ্ডে প্রমাণের খোঁজে একেবারে তেড়েফুঁড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

শাহজাহানের খাস অনুগামীর বাড়িতে চলে জোরকদমে তল্লাশি। আর্শাদ মিঞা বাজার, ৫০ বিঘা এলাকায় সকাল থেকেই তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, শাহজাহানের ছত্রছায়ায় তাঁরা আসলে মাছের ব্যবসা চালানোর নামে কালো টাকা সাদা করত।  সূত্রের খবর,  শাহজাহান ঘনিষ্ঠ রিন্টু মোল্লার বাড়িতে তল্লাশি চালাতেই বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসেছে ইডি আধিকারিকদের।

সূত্রের খবর,  রিন্টু মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার সাতটি ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে। মোট দুটি ব্যাগে ডায়েরি-সহ একধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ডায়েরিতে বেশ কিছু নামও লেখা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই তথ্য এই মামলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। শাহজাহানের হিসাবরক্ষকই দাবি করেছেন, পার্

এখান থেকে ইডি আধিকারিকরা সরবেরিয়া আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান মোসলেম শেখের বাড়িতে হানা দেন। সূত্রের খবর, মোসলেমকে শাহজাহান ‘দাদু’ বলে ডাকতেন। যদিও তাঁদের মধ্যে কোনও রক্তের সম্পর্ক নেই। গোটা এলাকা কার্যত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নজরবন্দি ছিল।  সূত্রের খবর, এই বাড়ি থেকে বেশ কিছু টাকার লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে নথি উদ্ধার করেছেন আধিকারিকরা। তল্লাশি চলে শাহজাহানের ‘মেন্টর’ মোসলিন শেখের ছেলের বাড়িতেও। তাঁর বাড়ির পাশেই একটি গোডাউন। তাতে রাখা সারি সারি দামী গাড়ি। ৫০০০ স্কোয়ার ফুটের গোডাউন কার্যত যেন ‘গাড়িশাল’! সেই গোডাউনেও তল্লাশি চালাচ্ছেন আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা বলছেন,  শাহজাহান ও তাঁর সঙ্গীদের ‘ডেরা’ এক-একটা ‘কুকীর্তি’র খনি। সেখানেই লুকিয়ে রয়েছে অনেক রহস্য।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us