R G Kar: ‘সীমা পাহুজাকেই জেলে ঢোকাব’, আরজি কর তদন্তের মাঝেই CBI অফিসারের পদোন্নতিতে বিস্ফোরক তিলোত্তমার মা
R G Kar: তিলোত্তমার মায়ের কথায়, "সীমা পাহুজা আমার মেয়ের কেসে এমন তদন্ত করেছেন, ওনার এতদিন জেলে থাকা উচিত ছিল। আমি কেসটা একটু এগোতে পারলে, ওনার বিরুদ্ধেও মামলা করব। আমি ওনাকে জেলে ভরেই ছাড়ব। সীমা পাহুজা ম্যাডামকে। উনি কেসটা হাতে নিলেন কেন, যখন তদন্তই না করতে পারবেন! উনি নিজে বলেছেন, আমি এই কেসের তদন্ত করছি না। পুলিশ ভাল তদন্ত করেছিল, আমি তাতেই সিলমোহর দিয়েছি।"

উত্তর ২৪ পরগনা: আরজিকর তদন্ত নিয়ে বারবার যখন প্রশ্ন তুলছে পরিবার, সেই সময় পদোন্নতি পেয়েছেন সিবিআই তদন্তকারী অফিসার। সীমা পাহুজা পুলিশ সুপার পদে উন্নীত হলেন। আর জি কর মামলায় তদন্তকারী অফিসার হিসাবে নিয়োগের সময় সীমা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে ছিলেন। বৃহস্পতিবার তাঁর পদোন্নতি হয়। সীমা চণ্ডীগড় ‘এন্ট্রি করাপশন’ ব্রাঞ্চে যুক্ত ছিলেন। পদোন্নতির পর তাঁকে দিল্লিতে স্পেশ্যাল ক্রাইম ব্রাঞ্চে (১) বদলি করা হয়েছে। তবে আরজি কর মামলায় তদন্তের দায়িত্বেই রাখা হয়েছে সীমাকে। আর তাঁর পদোন্নতির হতেই বিস্ফোরক তিলোত্তমার মা। তিনিই পাল্টা বললেন, “আমি সীমা পাহুজা ম্য়াডামকে আমি জেলে ঢুকিয়ে ছাড়ব।”
তিলোত্তমার মায়ের কথায়, “সীমা পাহুজা আমার মেয়ের কেসে এমন তদন্ত করেছেন, ওনার এতদিন জেলে থাকা উচিত ছিল। আমি কেসটা একটু এগোতে পারলে, ওনার বিরুদ্ধেও মামলা করব। আমি ওনাকে জেলে ভরেই ছাড়ব। সীমা পাহুজা ম্যাডামকে। উনি কেসটা হাতে নিলেন কেন, যখন তদন্তই না করতে পারবেন! উনি নিজে বলেছেন, আমি এই কেসের তদন্ত করছি না। পুলিশ ভাল তদন্ত করেছিল, আমি তাতেই সিলমোহর দিয়েছি।” তাঁর বক্তব্য, “উনি তো এখানে থাকেনই না। আমাদের সঙ্গে কথাও বলতে চান না। সীমা পাহুজা কোনও তদন্তই করেননি, আমরা যদি আসল অপরাধীদের খুঁজে বার করতে পারি, তাহলে আমরা ওনাকে জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করব।”
প্রসঙ্গত, সিবিআই তদন্তে প্রথম থেকেই অখুশি ছিলেন তিলোত্তমার বাবা-মা। সিবিআই তদন্তের ‘গ্রে জোন’ তুলে ধরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছিলেন তাঁরা। তিলোত্তমার মা অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর সাক্ষ্যই নেওয়া হয়নি। সিবিআই-এর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁদের বক্তব্য, সিবিআই টাকা নিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি দিয়েছিলেন তিলোত্তমার বাবা-মা।
