AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

CM Suvendu Adhikari: ‘মমতা আমাদের ডাকতেন না’, তৃণমূল বিধায়কদের অনুপস্থিতি নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari in Durgapur Meeting: বৃহস্পতিবারই দুর্গাপুরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সৃজনী হলে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া আর বীরভূম জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল পাঁচ জেলার সাত জন তৃণমূল বিধায়ককেও। কিন্তু, তাঁরা কেউ আসেননি।

CM Suvendu Adhikari: 'মমতা আমাদের ডাকতেন না’, তৃণমূল বিধায়কদের অনুপস্থিতি নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারীImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 22, 2026 | 8:49 AM
Share

দুর্গাপুর : মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) সব দলকে নিয়ে চলার বার্তা দিয়ে এসেছেন। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, বিগত সরকার বিরোধী দলনেতাকে বলতে না দিলেও, বিজেপি সরকার (BJP Government) বিরোধীদের বলার সুযোগ দেবে। শুভেন্দু বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বিরোধীদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্যের উন্নয়নে কাজ করতে চান। ভাগাভাগির রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। তাই দুর্গাপুরে (Durgapur) প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূল বিধায়কদেরও (TMC MLA) আমন্ত্রণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু, বৈঠকে একজন বিধায়কও হাজির ছিলেন না বলে খবর। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি।

প্রশাসনিক বৈঠকে গরহাজির তৃণমূল বিধায়করা

বৃহস্পতিবারই দুর্গাপুরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সৃজনী হলে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া আর বীরভূম জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল পাঁচ জেলার সাত জন তৃণমূল বিধায়ককেও। কিন্তু, তাঁরা কেউ আসেননি। এই বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সাতজন তৃণমূল বিধায়ককে আমরা ডেকেছিলাম। মুরারইয়ের বিধায়ক আমাকে মেসেজ করে জানিয়েছিলেন আমি আসব। কিন্তু আসেননি।”

মমতার সঙ্গে কোথায় তফাত, বুঝিয়ে দিলেন শুভেন্দু

এরপরই তৃণমূল জমানায় বিরোধীদের অবস্থানকে মনে করিয়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন,”আগে ৫ বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের ডাকতেন না। বর্তমান বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ওঁদের ডেকেছেন।” অর্থাৎ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী কোথায় তফাত, তা-ই বুঝিয়ে দিলেন শুভেন্দু। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলছে, তবে কি উন্নয়ন নিয়ে তৃণমূল শুধু নেতিবাচক রাজনীতি করে, না কি একসঙ্গে চলতে পারে না?

তৃণমূল কী বলছে?

এই বিষয়ে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “এটা সম্পূর্ণ দলের সিদ্ধান্ত। যে একটা অংশ ধরনা দেবে কলকাতায় বিধানসভায়। আরেকটা অংশ তাঁর তাঁর এলাকায় বা অন্য কোনও এলাকায় দলের নির্দেশ মতো কর্তব্য পালন করছিলেন।”

পুরভোট দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত

পুরভোট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,”দুর্গাপুরের মানুষকে আমি আশ্বস্ত করতে চাই দুর্গাপুজো বা কালীপুজোর পরে যে কোনও সময় নির্বাচন করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল বা রাজ্য সরকার সাহায্য করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। পঞ্চায়েত, পুরসভা বন্ধ থাকার জন্য সাধারণ মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। পঞ্চায়েত অফিস অধিকার করে রাখার অধিকার কোন ব্যক্তি বা কোনও দলের নেই। তাই আমরা বলে দিয়েছি পঞ্চায়েতের সচিব গোটা বিষয়টা দেখবে।” তৃণমূলকে আক্রমণ করে শুভেন্দু আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে মিলে কীভাবে এখানে শিল্পে জোয়ার আনতে পারি, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে পারি, এটাও আছে। তবে, আমরা হাততালি কুড়ানোর জন্য দেউচা পাচামির মতো ফ্রড কথাবার্তা বলি না বলবও না।”

Follow Us