Suvendu on SP: ‘এসপি ম্যাডাম, খুঁজে আনতে হবে আপনাকে..আমি ওকে জেলে দেখতে চাই’, SP পাপিয়া সুলতানাকে বড় দায়িত্ব দিলেন শুভেন্দু
Paschim Medinipur: ২০০১ সালে বামেদের ভরা রাজত্বের সময় ঘরছাড়া ছিলেন বহু তৃণমূল কর্মী। তবে, স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বের আশ্বাস পেয়ে এলাকায় ফিরে আসেন ঘরছাড়া তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। ছোট আঙারিয়ার বাসিন্দা বক্তার মণ্ডলের বাড়িতে জড়ো হয়েছিলেন তাঁদেরই কয়েকজন। অভিযোগ, সন্ধ্যায় হঠাৎই সেখানে চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, সিপিএম আশ্রিত হার্মাদ বাহিনী তাদের কর্মীদের আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে।

গড়বেতা: বাম আমলের সমস্ত পুরনো মামলা ফের রিওপেন করা হবে। পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতার সভা থেকে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তবে এ দিন শুধু হুঁশিয়ারি দিয়েই থামেননি। পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানাকে দিলেন বিশেষ দায়িত্ব। নির্দেশ দিলেন, সিপিআইএম নেতা তপন ঘোষ ও সুকুর আলিকে খুঁজে বের করতে হবে৷
আজ কী বলেছেন শুভেন্দু?
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ছোট আঙারিয়া থেকে শুরু করে ২০০৭-এ নন্দীগ্রামে, গড়বেতার যে সিপিআইএম অফিস ছিল,সেখান থেকে যারা যারা বন্দুক নিয়ে নন্দীগ্রামে রক্তাক্ত সূর্যোদয় ঘটিয়েছিল, তাদের কেস আমি রিওপেন করব। একটাকেও ছাড়া হবে না ৷”
এরপর তাঁর সংযোজন, “তপন-সুকুর একসময় বলেছিল শুভেন্দু অধিকারী এলে পা ভাঙব। আমি তিন দিনের মধ্যে চন্দ্রকোনা রোডে এসে সুশান্ত ঘোষের বুকের উপরে দাঁড়িয়ে সভা করেছিলাম।”
এই কথা বলার শেষে পুলিশ সুপার সুলতানাকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, “তৃণমূলের নামও নেই নিশানাও নেই, মুছে গিয়েছে। সেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে কঙ্কাল কাণ্ডের নায়করা। তপন কোথায় এখন?আছে না পালিয়েছে? এসপি ম্যাডাম, খুঁজে আনতে হবে আপনাকে। আমি ওকে জেলে দেখতে চাই।”
ফিরে দেখা ছোট আঙারিয়ার গণহত্যা
গড়বেতা। ছোট আঙারিয়া। তপন-শুকুর। এই শব্দগুলি রাজনীতিতে যতবার উঠে আসে, ততবারই অস্বস্তিতে পড়ে যায় তৎকালীন শাসক দল সিপিএম। দুই দশক আগের ঘটনা। পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থানা এলাকায় ছোট্ট একটি গ্রাম ছোট আঙারিয়া। ২০০১ সালে বামেদের ভরা রাজত্বের সময় ঘরছাড়া ছিলেন বহু তৃণমূল কর্মী। তবে, স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বের আশ্বাস পেয়ে এলাকায় ফিরে আসেন ঘরছাড়া তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। ছোট আঙারিয়ার বাসিন্দা বক্তার মণ্ডলের বাড়িতে জড়ো হয়েছিলেন তাঁদেরই কয়েকজন। অভিযোগ, সন্ধ্যায় হঠাৎই সেখানে চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, সিপিএম আশ্রিত হার্মাদ বাহিনী তাদের কর্মীদের আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে। অভিযোগ, তপন ঘোষ ও সিপিএম জোনাল কমিটির সম্পাদক সুকুর আলির বিরুদ্ধে। সেই গণহত্যার ঘটনা ফের এতবছর পর উস্কে দিলেন শুভেন্দু।
