BJP: প্রচারের মাঝে আচমকা সাদামাটা সেলুনে ঢুঁ, ৮২ দিন পর চুল কেটে চর্চায় হিরণ
BJP: হিরণকে সেলুনে ঢুকতে দেখে ততক্ষণে ভিড় জমে গিয়েছে সেলুনের বাইরে। অনেকের সঙ্গেই হাসিমুখে কথা বলতে দেখা যায় ঘাটালের প্রার্থীকে। ততক্ষণে শুরু হয়ে গিয়েছে জয় শ্রী রাম স্লোগান।

ঘাটাল: সারাদিন তুমুল ব্যস্ততা, ঘুরছেন এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত, ঠিক নেই স্নান-খাওয়ার। এমনকি চুলটুকু কাটারও সময় পাননি। অবশেষে নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যে ৮২ দিন পর চুল কেটে চর্চায় ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়। এদিন দাসপুরের হরিরামপুরে নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন হিরণ। সেখানেই আচমকা একটি সেলুনে ঢুকে পড়েন। কেটে ফেলেন চুল-দাড়ি। এদিকে আচমকা হিরণের দেখা পেয়ে বেজায় খুশি সেলুনর মালিক রতন নাপিত।
রতন বলছেন, “এর আগে এত বড় কোনও মানুষ আমার দোকানে আসেনি। এ এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা। খুবই ভাল লাগছে।” এদিকে হিরণকে সেলুনে ঢুকতে দেখে ততক্ষণে ভিড় জমে গিয়েছে সেলুনের বাইরে। অনেকের সঙ্গেই হাসিমুখে কথা বলতে দেখা যায় ঘাটালের প্রার্থীকে। ততক্ষণে শুরু হয়ে গিয়েছে জয় শ্রী রাম স্লোগান। অনেকেই আবার মালা পরিয়ে হিরণকে বরণ করে নিতেও দেখা যায়। এদিকে কিছুদিন আগে বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডলকেও ভোট প্রচারের মধ্যে আচমকা এক সেলুনে ঢুকে পড়তে দেখা গিয়েছিল। তবে তাঁকে দেখা গিয়েছিল একেবারে নাপিতের ভূমিকায়। হাতে কাঁচি নিয়ে চুল কাটতেও শুরু করে দেন।
এদিকে এদিন চুল কাটার পর নাপিতকে ১০০ টাকাও দেন হিরণ। তারপরই বলেন, ৮২ দিন পর চুল দাড়ি কাটলাম। নির্বাচনের ব্যস্ততার মাঝে চুল কাটা হয়নি। ৮২ দিন হয়ে গেল আমি হেঁটে চলেছি। সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা অবধি প্রচারে থাকি। এখান দিয়ে যাচ্ছিল আজ তখন রতনদা বললেন আমার সেলুনটা দেখে যান। ওনার ডাকেই ঢুকে পড়ি। আগে তো মাটিতে মাটিতে ইট পেতে বসতাম চুল কাটতে। তাই আমার জীবনে বড়সড় বলে কিছু নেই।
