Potato Price: ঘরে তোলার আগেই ডাবল প্রাইস! আলুর দাম নেই, কিন্তু বস্তার দামে ছ্যাঁকা কৃষকদের
Potato Price in Bengal: গোটা রাজ্যজুড়েই আলুর ফলন অনেকটাই ভাল হয়েছে। কিন্তু, তারপরেও মন ভার কৃষকদের। সার, বীজ এবং শ্রমিকের মজুরি মেটাতে গিয়ে বিঘা প্রতি খরচ অনেকটাই বেড়েছে। কিন্তু আলুর দামে শুরু থেকেই মাথায় হাত কৃষকদের। কৃষকদের অনেকেই বলছেন, যা দাম চলছে তাতে বিঘা প্রতি হাজার টাকা লোকসান হবে।

চন্দ্রকোনা: আলুর দাম নেই, কিন্তু বস্তার দামে আগুন! একেবারে হাত দিলেই ছ্যাঁকা। তাতেই দিশেহারা কৃষকরা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা এমনিতে আলুর ‘গড়’ হিসেবে পরিচিত। রাজ্যের অন্যান্য় প্রান্তের মতো এখানেও পুরোদমে চলেছে আলু তোলার কাজ। কিন্তু ফলন, ঘরে তোলার আনন্দ ছাপিয়ে এখন কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ বস্তার দামে। সকলেই বলছেন এবার শুরু থেকেই বস্তার দাম অন্যান্য বছরের থেকে অনেকটাই বেশি। কিন্তু কেন?
এলাকার কৃষকরা বলছেন, আসলে বাজারে আলুর বস্তার কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করা হয়েছে। সাধারণ সময়ে যেখানে একটা বস্তা ১০ থেকে ১১ টাকায় পাওয়া যায় সেই বস্তাই এখন বিক্রি হচ্ছে ১৯ থেকে ২০ টাকায়। একেবারে দ্বিগুণ দামে। কৃষকদের দাবি, একদল অসাধু ব্যবসায়ী কম দামে বস্তা কিনে আগেভাগেই গুদামে ঢুকিয়ে রেখেছেন। আসলে আলুর তোলার মরসুমে চড়া মুনাফার আশাতেই এই কাজ।
এদিকে গোটা রাজ্যজুড়েই আলুর ফলন অনেকটাই ভাল হয়েছে। কিন্তু, তারপরেও মন ভার কৃষকদের। সার, বীজ এবং শ্রমিকের মজুরি মেটাতে গিয়ে বিঘা প্রতি খরচ অনেকটাই বেড়েছে। কিন্তু আলুর দামে শুরু থেকেই মাথায় হাত কৃষকদের। কৃষকদের অনেকেই বলছেন, যা দাম চলছে তাতে বিঘা প্রতি কয়েক হাজার টাকা লোকসান হতে চলেছে। এই অবস্থায় আলুর বস্তার দাম যেন একেবারে গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো কাজ করছে। যদিও বস্তা ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে জোগান কম থাকার কারণেই এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে। যদিও কৃষকরা সেই যুক্তি মানতে নারাজ। সকলেই চাইছেন এবার কোনও একটা ব্যবস্থা নিক প্রশাসন। কলোবাজারি রুখে একটা নির্দিষ্ট দাম ঠিক করা হোক প্রশাসনের তরফে।
