AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kalna: ‘কাউকে জানালে প্রাণে মেরে দেব’, বাড়িতে ঢুকে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ

Kalna Physical Assault: রবিবার আনুমানিক বিকাল সাড়ে চারটে নাগাদ কালনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। জানা গিয়েছে ঘটনাটি কালনা থানার অন্তর্গত নিউ মধুবন এলাকার। বাবা মা বাইরের রাজ্যে কাজের সুবাদে ঠাকুমার কাছেই দুই ভাইকে নিয়ে থাকতেন ওই কিশোরী।

Kalna: 'কাউকে জানালে প্রাণে মেরে দেব', বাড়িতে ঢুকে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ
কালনা থানা Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 05, 2025 | 7:09 PM
Share

কালনা: পুজো মিটতেই বাংলায় আবার ধর্ষণের অভিযোগ। ভরদুপুরে বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। নির্যাতিতা নাবালিকা।  ধর্ষণের কথা কাউকে জানালে খুন করে ফেলা হবে, নির্যাতনের পর হুমকি দিয়ে বেরিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবক। ঘটনার সমস্ত বিবরণ পুলিশের কাছে তুলে ধরে কালনা থানার দ্বারস্থ নির্যাতিতা ওই কিশোরীর পিসি।

রবিবার আনুমানিক বিকাল সাড়ে চারটে নাগাদ কালনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। জানা গিয়েছে ঘটনাটি কালনা থানার অন্তর্গত নিউ মধুবন এলাকার। বাবা মা বাইরের রাজ্যে কাজের সুবাদে ঠাকুমার কাছেই দুই ভাইকে নিয়ে থাকতেন ওই কিশোরী। রবিবার আনুমানিক রাত দুটো নাগাদ বাইরে থেকে লাঠি দিয়ে ছিটকানি খুলে ঢোকে অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবক।

অভিযোগ, ওই কিশোরীকে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। পরে ওই নাবালিকাকে প্রাণনাশের হুমকিও দিয়ে যায় বলে অভিযোগ। ওই নাবালিকার পিসি বাড়ি ফিরে ভাইজির মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ দেখতে পান। পরে কিছু একটা বুঝতে পেরে, তাকে চেপে ধরেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে কিশোরী। এরপরই প্রশাসনের দ্বারস্থ হন তিনি। পুরো ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযুক্ত যুবককে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন এলাকাবাসীরা। পুরো বিষয় লিখিত অভিযোগ জানিয়ে কালনা থানার দ্বারস্থ নির্যাতিতা ওই কিশোরীর পরিবার।

নাবালিকার পিসির বক্তব্য, “আমি বাড়ি ছিলাম না। ও একা ঘরে ছিল। আমি ছিটকিনি লাগিয়েই গিয়েছিলাম। এসে দেখি, ছিটকিনি খোলা। তখনই সন্দেহ হয়। আমি ওকে জিজ্ঞাসা করতে থাকি। প্রথমে তো অস্বীকার করতে থাকে। বলতে থাকে কিছু হয়নি। তবে ওর চোখেমুখে চেহারা, শরীরে অস্বাভাবিকত্ব দেখে আমার মনে হতে থাকে, কিছু তো একটা হয়েছে। পরে চেপে ধরতেই বলে ফেলে সব। আমি তখন প্রথমে পাড়ায় গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকি। তখনই সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে।” পুলিশ অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।