Bird Flu: বিশেষজ্ঞরা বলছেন বার্ড ফ্লু নয়, তাহলে এত মুরগি কেন মরছে বাংলায়?
Bird Flu: জেলায় বেশিরভাগ পোলট্রি ফার্মের মালিক মুরগি চাষ করেন। সেক্ষেত্রেও তাঁদের নিজেদের খাটুনি, লেবার চার্জ এবং তুষের জন্য বড় অঙ্কের খরচ সবটাই মার যাচ্ছে। এখন তাঁরা মৃত মুরগিদের মাটিতে গর্ত করে পুঁতে দিচ্ছেন। যাতে এরপর আর কোনও রোগ না ছড়ায়।

ভাতার: মরে যাচ্ছে একের পর এক মুরগি। পোলট্রি ফার্মে মারা যাচ্ছে শ’য়ে-শ’য়ে মুরগির মৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ। তবে কি বাংলাতেও ঢুকে পড়ল বার্ড ফ্লু? পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন ফার্মে মারা গিয়েছে প্রচুর মুরগি। কিন্তু কেন? তা যদিও স্পষ্ট নয় খামারীদের কাছে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এটি কোনওভাবেই বার্ড ফ্লু’র ঘটনা নয়। নানা কারণে মুরগি মারা যেতে পারে। তবে মুরগি পালকদের প্রশ্ন, বার্ড ফ্লু না হলে এত মুরগি কেন মরে যাচ্ছে এ বাংলায়?
পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের নতুনগ্রামে গিয়ে দেখা গেল, গ্রামে বেশ কিছু মুরগির খামার রয়েছে। সেই সকল পোলট্রি ফার্মের মালিকদের দাবি,গত কয়েকদিন ধরেই লাগাতার মুরগি মারা যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে,ছোট থেকে বড় মুরগি সকলে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রথমে ঝিমুনির মত হচ্ছে। তারপর মুরগী মারা যাচ্ছে। কোনওচিকিৎসাই কাজে আসছে না।
জেলায় বেশিরভাগ পোলট্রি ফার্মের মালিক মুরগি চাষ করেন। সেক্ষেত্রেও তাঁদের নিজেদের খাটুনি, লেবার চার্জ এবং তুষের জন্য বড় অঙ্কের খরচ সবটাই মার যাচ্ছে। এখন তাঁরা মৃত মুরগিদের মাটিতে গর্ত করে পুঁতে দিচ্ছেন। যাতে এরপর আর কোনও রোগ না ছড়ায়।
পোলট্রি ফার্মের মালিকরা জানাচ্ছেন,রোগ হলে কোম্পানির লোক আসছে। কিছু ওষুধ প্রয়োগ করছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কাজ হচ্ছে না। বড় ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এর ফলে সংসার চালাতে বড় সমস্যায় পড়তে পারেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, মঙ্গলকোটেও তিনদিনে ৫০০ মুরগি মারা গিয়েছে।
অন্যদিকে বিশেষজ্ঞ প্রাণী চিকিৎসক ডক্টর পার্থ সরকার জানান,পশ্চিমবঙ্গে এখনো বার্ড ফ্লু’র ঘটনা নথিভুক্ত হয়নি। আবহাওয়ার পরিবর্তন,আলোর কমবেশি বা সঠিক ওষুধ বা পরিচর্যার অভাবেও মুরগি মারা যেতে পারে। সঠিকভাবে পরীক্ষা না করে এভাবে বলা সম্ভব নয়। মুরগি পালক বাবু ঘোষ বলেন, “মুরগি চাষ করে প্রচুর ক্ষতির মুখে পড়েছি। ২০০০ পিস মুরগি মরে গেছে। মুরগি চাষ পেশা। সব মরে গেছে। কী রোগ কিছুই বুঝতে পারছি না।”

