Trinamool Congress: অঙ্গনওয়ারির ফুটো চাল দিয়ে পড়ছে বৃষ্টির জল! উন্নয়নের টাকা খেয়ে ফেলেছে তৃণমূল, অভিযোগ বিজেপির
BJP on TMC: মঙ্গলকোটের বুইচি গ্রামের মাঝি পাড়ায় একটা ছোট্ট ভাঙাচোরা ঘর। চাল ফুটো। বৃষ্টি হলেই ঘরের ভিতরে জল পড়ে। বর্ষাকালে হাঁটু পর্যন্ত জল জমে যায়। এইভাবেই চলছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। বাচ্চাদের বসে পড়াশোনা করার মতো ন্যূনতম পরিবেশও নেই।

মঙ্গলকোট: তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে অঙ্গনওয়াড়ির টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ। অভিযোগ বিজেপির বুথ সভাপতির। আর সেই অভিযোগের মাঝেই সামনে এল পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট বিধানসভা কেন্দ্রের বুঁইচি গ্রামের একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বেহাল ছবি। স্থানীয় বিজেপি বুথ সভাপতি আশুতোষ ঘোষের দাবি, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য টাকা এসেছিল। কিন্তু সেই টাকা কাজের জন্য খরচ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগের নিশানায় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি প্রদীপ চট্টরাজ। তাঁকে ফোন করা হলে তিনি যদিও ফোন ধরেননি।
মঙ্গলকোটের বুইচি গ্রামের মাঝি পাড়ায় একটা ছোট্ট ভাঙাচোরা ঘর। চাল ফুটো। বৃষ্টি হলেই ঘরের ভিতরে জল পড়ে। বর্ষাকালে হাঁটু পর্যন্ত জল জমে যায়। এইভাবেই চলছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। বাচ্চাদের বসে পড়াশোনা করার মতো ন্যূনতম পরিবেশও নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ৭০ জন শিশু এই কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু জায়গার অভাবে ঠিকমতো পঠনপাঠনই হয় না।
এই অঙ্গনওয়াড়ির রান্না হয় বাইরে। ঘরের ভিতরে ধোঁয়ায় টেকা যায় না বলে রাস্তার ধারে উনুন জ্বালিয়ে রান্না করেন কর্মীরা। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী চিন্তা রায় ঘোষ বলছেন, “বৃষ্টি হলেই চাল-ডাল-জ্বালানি সব ভিজে যায়। ঘরের চারদিক দিয়ে জল ঢোকে। ভিতরে এত ধোঁয়া হয় যে রান্না করা যায় না। তাই বাইরে রান্না করতে হয়।” ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সোনালি মাঝির মতো অভিভাবক থেকে স্থানীয় বাসিন্দারাও। ক্ষোভের সঙ্গেই তাঁরা বলছেন, যা অবস্থা তাতে বাচ্চাদের বসার জায়গা নেই। বর্ষায় জল জমে যায়। এই অবস্থায় বাচ্চাদের পাঠাতেই ভয় লাগে।
