Bhupatinagar NIA Attack: পুলিশকে জানিয়েই ভূপতিনগরে গিয়েছিল NIA, উল্লেখ পুলিশের রিপোর্টে: সূত্র
Bhupatinagar NIA Attack: গত শনিবার ভোরে ভূপতিনগর বিস্ফোরণের মামলায় তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল এনআইএ। দুজনকে আটকও করা হয়েছিল গ্রাম থেকে। অভিযোগ, সেখানে তল্লাশি চালাতে গিয়ে নিগ্রহের শিকার হতে হয় এনআইএ অফিসারদের। সেই ঘটনায় এবার জমা পড়ল পুলিশের রিপোর্ট।

ভূপতিনগর: গত শনিবার ঠিক কী ঘটেছিল ভূপতিনগরে? কেন বাধা দেওয়া হল এনআইএ অফিসারদের? এ সব নিয়ে এখনও রয়েছে ধোঁয়াশা। এরই মধ্যে জমা পড়ল পুলিশের রিপোর্ট। গত শনিবার থেকেই এনআইএ আধিকারিকদের ওপর হামলার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আজ সোমবার নির্বাচন কমিশনে জমা পড়েছে সেই রিপোর্টে। সূত্রের খবর, এনআইএ অফিসারদের উপর শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে, এ কথা স্বীকার করে সিইও দফতরে জমা দেওয়া হয়েছে রিপোর্ট। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পুলিশ এবং মহকুমা শাসক সোমবার এ বিষয়ে দুটি পৃথক রিপোর্ট জমা দিয়েছে কমিশনে।
সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে ঘটনার দিন ভোর সাড়ে ৪ টে নাগাদ পুলিশকে জানানো হয়। তারপর পুলিশের তরফে ফোর্স রেডি করা হচ্ছিল, কিন্তু তার আগেই ঘটনা ঘটে যায়। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা প্রশাসনের তরফে পাঠানো রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, শারীরিক ভাবে নিগ্রহের খবর পৌঁছনোর পরই পুলিশ পাঠানো হয়। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের আধিকারিকরাও যান ঘটনাস্থলে।
এনআইএ-র ওপর হামলার অভিযোগে ভূপতিনগর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে আগেই। গত শনিবার ভূপতিনগর থানার সিআই শ্যামল চক্রবর্তী ও ওসি গোপাল পাঠকের নেতৃত্বে প্রায় ৫০ জন পুলিশের দুটি টিম নাড়ুয়াভিলা গ্রামে যায়। ঘটনার দিন ঠিক কী কী ঘটেছিল সেই সম্পর্কে গ্রামের মানুষদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তারা। ধৃত ২ তৃণমূল নেতার বাড়িতে গিয়েও পরিবারের লোকেদের কাছে ঘটনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। ধৃত মনোব্রতর স্ত্রীর দাবি, মিথ্যা অভিযোগে তাঁর স্বামীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর বাড়িতে অতর্কিতে ঢুকে হেনস্থা করা হয়েছে বলেও এনআইএ-র বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
