AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Contai Municipality Administrator: মুছে গেল চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরির নাম, কাঁথি পৌরসভা এবার ‘প্রশাসকে’র হাতে

Contai Municipality Board Dissolved: ২০২২ সালের পৌরভোটে ২১টি আসনের মধ্যে ১৭টিতে জিতে বোর্ড গঠন করেছিল তৃণমূল। চেয়ারম্যান হন তৎকালীন মন্ত্রী অখিল গিরির পুত্র সুপ্রকাশ গিরি। তবে শুরু থেকেই এই বোর্ডের কাজ নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। তৎকালীন পৌর নগরোন্নয়ন দফতর সুপ্রকাশ গিরির বোর্ডকে শোকজ করেছিল।

Contai Municipality Administrator: মুছে গেল চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরির নাম, কাঁথি পৌরসভা এবার 'প্রশাসকে'র হাতে
মহকুমা শাসকই এখন প্রশাসকImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 25, 2026 | 3:00 PM
Share

পূর্ব মেদিনীপুর: অধিকারী গড়ের খাসতালুক বলে পরিচিত কাঁথি পৌরসভায় শেষমেশ হাতবদল। শাসকদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর প্রশাসনিক টানাপোড়েনের অবসান তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বোর্ড খারিজ করে দিল সরকার। কাঁথি পৌরসভার নতুন প্রশাসক হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন মহকুমা শাসক প্রতীক অশোক ধুমাল। সোমবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ তিনি পৌর প্রশাসনিক ভবনে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজের দায়িত্ব নেন।

২০২২ সালের পৌরভোটে ২১টি আসনের মধ্যে ১৭টিতে জিতে বোর্ড গঠন করেছিল তৃণমূল। চেয়ারম্যান হন তৎকালীন মন্ত্রী অখিল গিরির পুত্র সুপ্রকাশ গিরি। তবে শুরু থেকেই এই বোর্ডের কাজ নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। তৎকালীন পৌর নগরোন্নয়ন দফতর সুপ্রকাশ গিরির বোর্ডকে শোকজ করেছিল। পরবর্তীতে রাজ্যের নতুন সরকারের পৌর দফতরও পুনরায় শোকজ নোটিশ পাঠায়। অবশেষে গত শুক্রবার এই বোর্ড ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

নতুন প্রশাসক পৌরসভায় আসার আগেই সরিয়ে দেওয়া হয় প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরির নামাঙ্কিত বোর্ড। এদিন মহকুমা শাসক দায়িত্ব নিতে এলে তাঁকে স্বাগত জানান দক্ষিণ কাঁথির বিজেপি বিধায়ক অরূপ কুমার দাস এবং তিন প্রাক্তন বিজেপি কাউন্সিলর। পৌরসভার কর্মীরাও নতুন প্রশাসককে শুভেচ্ছা জানান।

প্রাক্তন বিজেপি কাউন্সিলর সুশীল দাস বলেন, “আমরা যা আগে বলেছিলাম, এখনও তাই বলছি। চোরমুক্ত কাঁথি পৌরসভা হবে। তৃণমূলের কোনও কাউন্সিলরকে আর কাঁথি পৌরসভায় দেখা যাবে না।”

দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক অরূপ কুমার দাস বলেন, “ফল ঘোষণার পর থেকেই পৌরসভায় চেয়ারম্যান আসছিলেন না। পুর পরিষেবা বলতে কিছুই নেই। চেয়ারম্যান আসতেন না, কাউন্সিলররা একের পর এক পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। কাজ একেবারেই হচ্ছিল না।”

Follow Us