
নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামে সমবায় ভোটের পরেই হিংসার অভিযোগ। রানিটক সমবায়ে তৃণমূলের জয়ের পরেই বিজেপির সমর্থকদের বাড়িতে হামলার অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর এলাকার রাজনৈতিক মহলে। হিন্দুদের এককাট্টা হওয়ার বার্তা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। প্রত্যেক হিন্দু বাড়িতে ধ্বজা ওড়ানোর পরামর্শ নন্দীগ্রামের বিধায়কের। এলাকায় সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলারও নির্দেশ দিচ্ছেন।
শুভেন্দুর সাফ কথা, “সব হিন্দু ঘরে ধ্বজ লাগাতে হবে কাল সকালের মধ্যে। এখানকার হিন্দুদের জিহাদি-মৌলবাদীদের একদম আলাদা করে দাও। সমস্ত জায়গায় সিসিটিভি লাগাও। কলকাতা থেকে ভাল ক্যামেরা নিয়ে এসো। যত টাকা লাগে আমি দেব। সব সিসিটিভির নিয়ন্ত্রণ আমার এমএলএ অফিসে। সব মন্দিরে মাইক টাঙাও। শাঁখ বিতরণ করো গোটা গ্রামে।”
এদিকে সমবায় ভোটে তৃণমূলের জয়ের পর থেকেই নতুন অক্সিজেন পেয়েছে নন্দীগ্রামের ঘাসফুল শিবির। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের মতে, ‘অপারেশন নন্দীগ্রামে’ তৃণমূলের ভরসা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মডেল সেবাশ্রয়। সেবাশ্রয় ক্য়াম্পের পরেই নন্দীগ্রামে সমবায় ভোট হয়েছে। সেই ভোটেই জয় পেয়েছে রাজ্যের শাসকদল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের মাথাব্যথা বাড়িয়েছে দলীয় কোন্দল। দলীয় কোন্দল মেটাতে বীরভূম মডেলে কোর কমিটির পথেও হেঁটেছেন অভিষেক। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুকে কুপোকাত করতে অভিষেকই অস্ত্র, একমত সৌগত-মদনরা। সৌগত রায় বলছেন, “অসাধারণ মডেল। সেবাশ্রয়ে শয়ে শয়ে মানুষ আসছে। এটা অভিষেক ভীষণ ভাল ধারণা। নন্দীগ্রামে নিশ্চয় হাওয়া বদল হবে। শুভেন্দু হেরে যাবে।” মদন মিত্র বলছেন, “সেবাশ্রয়ে এসেই সবাইকে চিকিৎসা নিতে হবে। অনেক বড় বড় চিকিৎসা যেটা ওষুধে হয় না, কিন্তু রাজনীতি পারে। নন্দীগ্রাম ঘায়েলে আমাদের অস্ত্রের নাম অভিষেক।”