Nandigram: ‘শহিদে’র পরিবারের বৌমাই পঞ্চায়েত কেড়ে নিলেন শেখ সুফিয়ানের জামাইয়ের হাত থেকে
BJP Pradhan Nandigram: তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রধান হিসাবে একজন পঞ্চায়েত সদস্যকে মনোনীত করা হয়েছিল কিন্তু অভিযোগ উঠেছিল নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের জামাই হাবিবুর রহমান তিনি নাকি বিজেপির টিকিটে জয়ী পঞ্চায়েত সদস্যদের সমর্থনে প্রধান হয়েছিলেন।

পূর্ব মেদিনীপুর: নন্দীগ্রামে শেখ সুফিয়ানের জামাইয়ের হাত ছাড়া হল পঞ্চায়েত! নন্দীগ্রামের মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান হলেন বিজেপির জয়ী পঞ্চায়েত সদস্য। নন্দীগ্রাম ১নম্বর ব্লকের মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ১৮ টি। এই গ্রাম পঞ্চায়েতে ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ১২ টি আসন পায় আর বিজেপি দখলে যায় ছটি আসন। তৎকালীন সময়ে প্রধান নির্বাচনকে ঘিরে যথেষ্ট রাজনৈতিক জলঘোলা হয়েছিল।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রধান হিসাবে একজন পঞ্চায়েত সদস্যকে মনোনীত করা হয়েছিল কিন্তু অভিযোগ উঠেছিল নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের জামাই হাবিবুর রহমান তিনি নাকি বিজেপির টিকিটে জয়ী পঞ্চায়েত সদস্যদের সমর্থনে প্রধান হয়েছিলেন। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালা বদলের পরেই শেখ সুফিয়ানের জামাই হাবিবুর রহমান পঞ্চায়েত প্রধানের পথ থেকে ইস্তফা দেন। প্রধানহীন গ্রাম পঞ্চায়েতে আজ প্রধান নির্বাচন ছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের ৯ জন সদস্য এবং বিজেপির ৬ জন সদস্য আজ উপস্থিত ছিলেন।
সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্যরা বিজেপির টিকিটে জয়ী পঞ্চায়েত সদস্যা সবিতা সাহু মাইতি কে প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেন। এবং উপপ্রধান হিসেবে মানসী সাঁতরাকে নির্বাচিত করেন। নন্দীগ্রামের আমদাবাদ এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পরে এবার মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করল বিজেপি।
বিজেপি নেতা ধনঞ্জয় ঘড়া বলেন, “২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে চিল্লগ্রামের দেবব্রত মাইতিকে খুন করা হয়েছিল। তাঁরই পরিবারের বৌমা সবিতা মাইতি বৌমা হয়েছেন। মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তৃণমূলের একাংশ ঐকমত পোষণ করেছেন।”
