Purba Medinipur: বৃষ্টি ভিজে পুকুরে স্নান করতে গিয়েই চরম পরিণতি, একইদিনে নিভে গেল একই পরিবারের তিন প্রদীপ
Three Child Died: এদিকে দীর্ঘক্ষণ তাদের দেখতে না পেয়ে ডাকাডাকিও শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। খোঁজ শুরু পুকুরের আশপাশেও। তখনই পুকুরের জলে একজনকে ভেসে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্য়রা। তারপরই পুকুর থেকে পরপর তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। ততক্ষণে খবর চাউর হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। খবর যায় পুলিশের কাছেও।

খেজুরি: একইদিনে একই পরিবারে নিভে গেল তিন প্রদীপ। খেজুরিতে জলে ডুবে দাস পরিবারের দুই কন্য-সহ এক পুত্র সন্তানের মৃত্যু। তাতেই শোকের ছায়া এলাকায়। এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে খেজুরির আমজাদ নগর গ্রামে। দাদু বাদল দাস ও এক প্রতিবেশী যুবক তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কান্নার রোল গোটা পরিবারে।
বাদল দাস বলেন, দিল্লি থেকে ফেরেছিল ওরা। তিনি ভাই-বোন বৃষ্টিতে ভিজে পুকুরে স্নান করার আবদার করছিল। তিনি বাধাও দেন। কিন্তু সকলের অগোচরে বাড়ি থেকে তিনজনই বাড়ি থেকে বেরিয়ে ৫০ মিটার দূরে পুকুরে স্নান করতে চলে যায়। কিন্তু কে জানতো আর ফেরা হবে না কারও।
এদিকে দীর্ঘক্ষণ তাদের দেখতে না পেয়ে ডাকাডাকিও শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। খোঁজ শুরু পুকুরের আশপাশেও। তখনই পুকুরের জলে একজনকে ভেসে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্য়রা। তারপরই পুকুর থেকে পরপর তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। ততক্ষণে খবর চাউর হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। খবর যায় পুলিশের কাছেও। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে আসে খেজুরি থানার পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলেন আধিকারিকরা। ঘুরে দেখেন গোটা এলাকা।
মৃত্যু হয়েছে মধুমিতা দাস (১৪), উষশ্রী দাস (৫) এবং সৃজিত দাস (৮)। আমজাদ নগর গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা বাদল দাসের তিন ছেলে ঝন্টু, শম্ভু ও বিষ্ণুপদ। মৃত শিশুরা তাঁদেরই সন্তান। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝন্টু কাজের সূত্রে দিল্লিতে থাকেন। সম্প্রতি তিনি স্ত্রী ও মেয়ে মধুমিতাকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন। দীর্ঘদিন পর সব ভাইবোনেরা একসঙ্গে জড়ো হয়েছিল। গোটা বাড়ি মেতে উঠেছিল অনাবিল আনন্দে। কিন্তু কে জানতেই মুহূর্তেই তা বদলে যাবে শোকের আবহে।
