Hydrogen Train Route-Time Table: ভারতের বিরাট বিপ্লব, ক’দিন পরই সত্যি হচ্ছে হাইড্রোজেন ট্রেনের স্বপ্ন! রুট, টাইম টেবিল এখনই জেনে নিন
India's First Hydrogen Train: ১২০০ কিলোওয়াটের হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রপালশন সিস্টেমে চলবে এই ট্রেন। হাইড্রোজেনের সঙ্গে অক্সিজেনের কেমিক্যাল রি-অ্যাকশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। সেই বিদ্যুতেই চলবে ট্রেন। নির্গত হবে শুধু জলীয় বাষ্প।

নয়া দিল্লি: দেশে চালু হতে চলেছে প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন (Hydrogen Train)। আগামী সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)-র হাত ধরে হাইড্রোজেন ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে। শোনা যাচ্ছে, আগামী ১৭ জুলাই হাইড্রোজেন ট্রেনের উদ্বোধন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এর মধ্যেই ভারতীয় রেলওয়ে এই হাইড্রোজেন ট্রেনের রুট ও সময়সূচী প্রকাশ করল।
ভারতীয় রেলওয়ের পথচলা শুরু হয়েছিল বাষ্পচালিত ইঞ্জিন দিয়ে। ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়ে চালু হয় বৈদ্যুতিন ইঞ্জিন। এবার প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চালু হতে চলেছে হাইড্রোজেন ইঞ্জিন। আর হাইড্রোজেন ট্রেন চালু করার মাধ্যমেই ভারত নাম লেখাবে জার্মানি, জাপান, চিন ও আমেরিকার দলে, যেখানে হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল টেকনোলজি ব্যবহার করা হচ্ছে রেল পরিচালনে।
কত দূর চলবে এই ট্রেন?
এই ট্রেন চলবে নর্থান রেলওয়ের অধীনে হরিয়ানার জিন্দ-সোনিপত সেকশনে। উদ্বোধনের পর এই হাইড্রোজেন ট্রেন দৈনিক ৩৫৬ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করবে। হরিয়ানার জিন্দ ও সোনিপতের মধ্যে দূরত্ব ৮৯ কিলোমিটার। দিনে দুই বার রাউন্ড ট্রিপ করবে এই ট্রেন। হাইড্রোজেন ট্রেনে মোট ১০টি কামরা থাকবে। মোট ৬৮২টি সিট রয়েছে।
কখন ছাড়বে, কখন পৌঁছবে?
ভারতীয় রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন হরিয়ানার জিন্দ থেকে ছাড়বে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে। সোনিপত পৌঁছবে মাত্র দুই ঘণ্টায়, সকাল ৯ টা ৪০ মিনিটে। আবার সোনিপত থেকে ছাড়বে সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে , জিন্দে পৌঁছবে দুপুর একটায়।
এই ট্রেনের বিশেষত্ব কী?
১২০০ কিলোওয়াটের হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রপালশন সিস্টেমে চলবে এই ট্রেন। হাইড্রোজেনের সঙ্গে অক্সিজেনের কেমিক্যাল রি-অ্যাকশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। সেই বিদ্যুতেই চলবে ট্রেন। নির্গত হবে শুধু জলীয় বাষ্প। এই ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার।
ইতিমধ্যেই জিন্দে একটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হাইড্রোজেন স্টোরেজ ও রি-ফুয়েলিং ফেসিলিটি তৈরি করা হয়েছে। ভারতীয় রেলের তরফে হাইড্রোজেন লিক, ফ্লেম ডিটেকটরের মতো বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থাও তৈরি করা হয়েছে।
এই ট্রেনে একদিকে যেমন বায়ুদূষণ কমবে, তেমনই জীবাশ্ম জ্বালানির উপরে নির্ভরশীলতাও কমাবে।
রেলের তরফে এই পাইলট প্রকল্পের জন্য ১১১.৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামিদিনে আরও একাধিক রুটে হাইড্রোজেন ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে রেলের।
