AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Purulia: পূর্বের আক্রোশ, প্রতিবেশী বৃদ্ধেকে SIR-এর ফর্ম না দেওয়ার অভিযোগ BLO-র বিরুদ্ধে

Kolkata: স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই বুথের প্রথম বিএলও ছিলেন অরুণ কুমার। তিনি অসুস্থ হওয়ায় তার পরিবর্তে তুহিন মাহাতোকে বিএলও হিসেবে নিয়োগ করে নির্বাচন কমিশন। ভরত মাহাতোর পাশেই বাড়ি তুহিন মাহাতোর। পেশায় তিনি আদাবনা হাইস্কুলের শিক্ষক।

Purulia: পূর্বের আক্রোশ, প্রতিবেশী বৃদ্ধেকে SIR-এর ফর্ম না দেওয়ার অভিযোগ BLO-র বিরুদ্ধে
পুরুলিয়ায় বিএলওর বিরুদ্ধে অভিযোগImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 07, 2026 | 5:32 PM
Share

পুরুলিয়া: বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল বিএলও-র বিরুদ্ধে। পূর্বের আক্রোশের জন্য প্রতিবেশী বৃদ্ধকে এসআইআর-এর নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিএলও-র বিরুদ্ধে। জেলার ডিইও (DEO)-র কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের। ঘটনাটি ঘটেছে বলরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৮ নম্বর বুথে।

ওই বৃদ্ধার নাম ভরত মাহাত। তাঁর বাড়ি শিমুলিয়া গ্রামে। দীর্ঘদিন ধরেই ভোট দিয়ে আসছেন। বর্তমানে তাঁর বয়স ৭৫। ২০০২ সালের তালিকায় নামও রয়েছে তাঁর। এমনকী এই বৃদ্ধ ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটও দিয়েছেন। ২০২৫ সালে যে তালিকায় বের হয় সেই তালিকায় ৩৫৩ নম্বর সিরিয়ালে তাঁর নাম রয়েছে। তাঁর এপিক নম্বর এপিক নম্বর ৩৪/২৩৮/৫০৭৪৭৮। কিন্তু তিনি এসআইআরের ফর্ম পাননি। পারিবারের মোট ভোটার ছ’জন। তার মধ্যে পাঁচজন এসআই আরের ফর্ম পেলেও বাড়ির যিনি কর্তা, ওই বৃদ্ধকে ফর্ম দেওয়া হয়নি বলে দাবি।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই বুথের প্রথম বিএলও ছিলেন অরুণ কুমার। তিনি অসুস্থ হওয়ায় তার পরিবর্তে তুহিন মাহাতোকে বিএলও হিসেবে নিয়োগ করে নির্বাচন কমিশন। ভরত মাহাতোর পাশেই বাড়ি তুহিন মাহাতোর। পেশায় তিনি আদাবনা হাইস্কুলের শিক্ষক।

২০২২ সালে একটি জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ভরত মাহাতোকে ব্যাপক মারধোর করে বলে অভিযোগ এই বিএলও অর্থাৎ তুহিন মাহাতোর পারিবারের লোকজন বলে অভিযোগ। প্রায় একমাসের বেশি সময় তিনি পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেই নিয়ে মামলা হয় তুহিনের পারিবারের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ, সেই আক্রোশে তুহিন মাহাতো ভরত মাহাতোর এসআইআরের ফর্ম দেননি। ইতিমধ্যেই ভরত মাহাতো জেলার রিটারিং অফিসার তথা জেলাশাসকের কাছে এই বিএলওর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। ভরত মাহাতোর দাবি, এই বিএলওর শাস্তি চাই। কেন তাঁকে ফর্ম দিলেন না?

জেলা তৃণমূল অবশ্য পারিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। জেলা তৃণমুলের সভাপতি রাজীব লোচন সরেন বলেন, “এটা সরকারি কাজ। এই বিষয়ে ইআরওর তদন্ত করা উচিত। কী কারণে ফর্ম পেল না, যদি ইচ্ছা করে বাদ দেওয়া হয় তাহলে বিএলওর শাস্তি পাবে। কারণ গণতান্ত্রিক আধিকার হরণ করার আধিকার কারও নেই। সেই জন্য বিএলও করা হয়নি। বিএলও করা হয়েছে যাতে প্রকৃত ভোটার বাদ না পরে।”

জেলা বিজেপি নেতৃত্ব বলেন, “সরকারি কাজে ব্যক্তিগত আক্রোশে এসআইআর ফ্রম না দেওয়া বড়ো অপরাধ। এখানে সত্যিই ওঁর ফর্ম এসেছে নাকি? ওঁকে দেওয়া হয়নি। ওঁর এখন ব্লকে গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কোনও অসুবিধা হলে বিজেপির কার্যকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।”

যদিও, ওই বুথের বিএলও তুহিন মাহাতো (ফোনে) জানান, “ভরত মাহাতোর এসআইআর-এর ফর্ম আসে নি। যে তালিকা আমাকে দেওয়া হয়েছে সেই তালিকায় ওঁর নাম ছিল না। সরকারি কাজে ব্যক্তিগত আক্রোশ কোনও বিষয় নয়। আমি তাঁদের বাড়িতে গিয়ে বলেও এসেছি তালিকায় নাম না থাকায় ৬নম্বর ফর্ম পূরণ করার জন্য।”