Mamamta Banerjee in Gangasagar: আর জল পেরিয়ে যেতে হবে না, ১৭০০ কোটির ব্রিজ বানাবেন মমতা
New Gangasagar Bridge: সারাবছর কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়া যাতায়াতের জন্য একমাত্র ভরসা ছিল নদীপথ। স্টিমার, নৌকা — এই সবের উপর নির্ভর করেই টিকে ছিল ওই অঞ্চলের মানুষের জীবন। ফলত, বর্ষার সময় কিংবা কোনও কারণে নদীর জল উপচে পড়লে বাড়ত সমস্য়া। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্রের কাছে বারংবার সেতু তৈরির জন্য় আর্থিক সাহায্য চেয়েছিল রাজ্য।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে মুড়িগঙ্গা নদীর উপর তৈরি হতে চলেছে বহু চর্চিত গঙ্গাসাগর সেতু। সোমবার গঙ্গাসাগরে মেলার প্রস্তুতি পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর সেখানে গিয়েই এই প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন মুখ্যমন্ত্রী। যা সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি হয়ে গেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ থেকে অপর প্রান্তে থাকা কচুবেড়িয়া হয়ে যাবে কয়েক মিনিটের পথ। ফলত গঙ্গাসাগরে যাওয়া পূর্ণ্যার্থী, পর্যটক ও সাগর দ্বীপের ৪৩টি গ্রামে বসবাসকারী মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা হবে।
সারাবছর কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়া যাতায়াতের জন্য একমাত্র ভরসা ছিল নদীপথ। স্টিমার, নৌকা — এই সবের উপর নির্ভর করেই টিকে ছিল ওই অঞ্চলের মানুষের জীবন। ফলত, বর্ষার সময় কিংবা কোনও কারণে নদীর জল উপচে পড়লে বাড়ত সমস্য়া। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্রের কাছে বারংবার সেতু তৈরির জন্য় আর্থিক সাহায্য চেয়েছিল রাজ্য। কিন্তু কেন্দ্র বরাবর সেতু নিয়ে নারাজ থেকেছে বলেই অভিযোগ রাজ্যের শাসকদলের।

ঘোষণা পত্র
অবশেষে ২০২৩ সালে গঙ্গাসাগর মেলা পরিদর্শনে এসে রাজ্য়ের টাকায় সেতু নির্মাণের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতু্ন স্বপ্ন বুনে দেন সাগরদ্বীপের বাসিন্দাদের মনে। আজ, সোমবার হতে চলেছে সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন, তাও আবার নির্বাচনের দোরগোড়ায়। ফলত, ভোটমুখী রাজ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সেতু শিলান্যাস রাজ্যের শাসকদলকে সামান্য হলেও মাইলেজ দেবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
উল্লেখ্য়, দীর্ঘ ৪.৭৫ কিলোমিটার এই সেতুতে থাকবে মোট ৪টি লেন। সেতু প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের পূর্ত দফতরকে। খরচ হতে চলেছে প্রায় ১৬৭০ কোটি টাকা। কিন্তু কখন হবে এই সেতুর শিলান্যাস? এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ এই সেতু প্রকল্পের শুভসূচনা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী চার বছরের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য়মাত্রা ধার্য করা হয়েছে। ইতিমধ্য়ে সেতুর নকশাও তৈরি হয়ে গিয়েছে।
