Falta Re-Poll: ভোটের ফলপ্রকাশের পরই ফলতার সব বুথে পুনর্নির্বাচন, ঘোষণা কমিশনের
ECI announces Falta Re-Poll: কমিশনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হল ফলতার ২৮৫টি বুথেই গণনা হচ্ছে। তাও বিধানসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের। যা নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে। কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২১ মে পুনর্নির্বাচন হবে ফলতায়। ফল ঘোষণা ২৪ মে।

ফলতা : ফলতার সব বুথেই পুনর্নিবাচন হবে। জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ফলতা বিধানসভায় গণনা স্থগিত করার দাবি জানিয়ে আগেই কমিশনে রিপোর্ট জমা পড়েছিল। তারপর থেকেই খবর পাওয়া যাচ্ছিল, ফলতার সব বুথেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন। শনিবার রাতে সেই মর্মেই কমিশনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হল গোটা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগ্রহণই বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ফলতার ২৮৫টি বুথেই পুনর্নির্বাচন হবে।
ফলতায় ফের কবে ভোট?
কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে , ফলতার বহু ভোটকেন্দ্রে গুরুতর নির্বাচনী অপরাধ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণে গোটা বিধানসভা কেন্দ্রেরই ভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২১ মে পুনর্নির্বাচন হবে ফলতায়। ফল ঘোষণা ২৪ মে। সেক্ষেত্রে, ৪ মে ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে। কমিশনের দাবি, একটা বিধানসভার গণনা না হলে তা ভোটের ফলে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। এর আগে এমনটা পশ্চিমবঙ্গের ভোট রাজনীতির ইতিহাসে ঘটেনি। এই প্রথম একটা বিধানসভা কেন্দ্র বাদ দিয়ে ভোটের ফল ঘোষণা হতে চলেছে। যা নজিরবিহীন বলা হচ্ছে।
রাজনৈতিক তরজা
কমিশনের ঘোষণার পর বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ বলেন, “এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। এই সিদ্ধান্ত অনেক দৃঢ় ও অনেক সাহসী। কারণ সেখানে যেভাবে বিশেষ করে হিন্দুদের যেভাবে ভোটদান থেকে বিরত করা হয়েছিল, যে ভাবে মা-বোনেদের ভয় দেখানো হয়েছিল, সেখানে এই নির্বাচন এইভাবেই করা উচিত। আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।”
তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এই ক্রীতদাস কমিশন মালিকের চাকরগিরি করতে করতে এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যে বুঝতে পেরেছে, যে সব বুথে ইভিএম খুললে বিজেপি সরষে ফুল দেখবে, সেখানে কাউন্টিংই বন্ধ করে রাখছে। দাবাং, এনকাউন্টার স্পেশ্যালিস্টের রিপোর্ট কোথায়? সেক্ষেত্রে তো তাঁকে শো-কজ করতে হয়। ”
প্রসঙ্গত, ভোটের দিন ফলতায় ইভিএম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। ইভিএম-এ টেপ লাগানোর অভিযোগ ওঠে। রিপোল করার দাবি তোলা হয়। বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত রিপোল স্ক্রুটিনির রিপোর্ট পাঠানব কমিশনকে। উঠে আসে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, শুধু টেপ লাগানোই নয়, বেশ কিছু বুথের ক্যামেরাই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এরই মধ্যে শনিবার দিনভর উত্তেজনা ছড়িয়েছিল ফলতার হাসিমনগরে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ভোট নিয়ে তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে কমিশন পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করে দিল।
