AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Falta News Video: ‘মিলিটারিকে বের করিয়ে বুথে ঢুকে ভোট দিয়েছি…’, দলের লোকের উপর রাগ করে লোকসভায় কীভাবে ভোট হয়েছিল হাটে হাড়ি ভেঙে দিলেন TMC নেতা

TMC Leader: আসলে সোমবার সন্ধে নাগাদ বল খেলার অনুষ্ঠান মঞ্চ ভাঙচুর ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় ফলতার কাঁটাখালি এলাকায়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সহযোগিতা নিয়ে একটি ক্লাব দু'দিন খেলা এবং একদিন রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিল।

Falta News Video: 'মিলিটারিকে বের করিয়ে বুথে ঢুকে ভোট দিয়েছি...', দলের লোকের উপর রাগ করে লোকসভায় কীভাবে ভোট হয়েছিল হাটে হাড়ি ভেঙে দিলেন TMC নেতা
সাইপো শেখImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 20, 2026 | 11:38 PM
Share

ফলতা: পরিবারে যখন গণ্ডগোল হয়, সেই সময় ঘরের ভিতরের খবর বাইরে চলে আসে। রাগের বশবর্তী হয়ে অনেকে ঘরের ভিতরের কথা বাইরে বলে ফেলেন। তৃণমূলের অবস্থাও খানিকটা তেমন। শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দেদার মারামারি-ঝগড়া। আর তারপরই হাঁড়ির খবর ভেঙে গেল হাটে। লোকসভা ভোটের সময় ডায়মন্ড-হারবার কেন্দ্রের ফলতা বিধানসভায় কীভাবে ভোট করিয়েছিল শাসকদল, তা অন্য গোষ্ঠীর উপর রাগ করে হাটের মাঝেই হাড়ি ভেঙে দিলেন তৃণমূলের আর এক নেতা। এই খবর প্রকাশ্য়ে আসতেই বিরোধীরা ফের একবার ময়দানে।

কী করে বেরল গর্ত থেকে ইঁদুর?

আসলে সোমবার সন্ধে নাগাদ বল খেলার অনুষ্ঠান মঞ্চ ভাঙচুর ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় ফলতার কাঁটাখালি এলাকায়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সহযোগিতা নিয়ে একটি ক্লাব দু’দিন খেলা এবং একদিন রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিল। খেলার প্রথম দিনেই তৃণমূলের একটি গোষ্ঠী এই ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে গেলে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লোকজনদের ব্যাপক মারধর হয়। এখান থেকেই ঝগড়ার সূত্রপাত।

তৃণমূল নেতা সাইপো শেখ অভিযোগ করে বলেন, “আমরাও তৃণমূল, আর ওরাও তৃণমূল। আলতাব ও তার দলবল স্টেজে উঠে ভাঙচুর করেছে। ক্যাশবাক্স নিয়ে গিয়েছে। চায়ের মেসিনটুকু ছাড়েনি। আমি চাই এই খেলাটা হোক। আমরা তো তৃণমূলের ভোটার।” এরপর আর সামলাতে পারেনি তিনি। গড়গড় করে বলতে থাকলেন, “আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কীভাবে ভোট করাই সেটা অফিসারও জানে। যাঁরা আইএসএফ করব বলে তাঁদের ভোট দিতে দিইনি। সামনে লোকসভা ভোট গেল। সেই সময় বেলা দুটো নাগাদ মিলিটারি বুথের ভিতরে ঢুকে গিয়েছে। ভোট করতে দিচ্ছিল না। সঙ্গে সঙ্গে আলতাবদাকে সবটা বলেছি। সঙ্গে-সঙ্গে রঞ্জনবাবু এলেন। তারপর মিলিটারিকে বের করে দিলেন। তারপর বলল, যা করবে করো। এরপর ভিতরে ঢুকে আমি ভোট করলাম।

যদিও তৃণমূল বলেছে এর সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল নেই। তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “না না ও একটু বলে ফেলেছে। ওর সঙ্গে বাস্তবতা নেই। মাঝে মধ্যে টার্জন-টার্জন ভাব এসে যায়। ওইগুলো বাস্তব নয়।” আর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ঘোষ বলেন, “বিজেপি ওঁকে দল থেকে পুরষ্কৃত করা হবে। তৃণমূল যেমন দল তেমন কাজই করেছে। রামকৃষ্ণ তো বলেই ছিলেন মন আর মুখ এক করো।