AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Abhishek on Sukanta: ‘বিজেপি নেতাকে বাঁচিয়েছে তৃণমূল, কিচ্ছু করেননি সুকান্ত মজুমদার’, হাটে কোন হাঁড়ি ভাঙলেন অভিষেক?

Abhisekh Banerjee: কীভাবে পুলিশি হেনস্থার মুখে পড়ে বিজেপির বুথ সভাপতি তৃণমূলের দ্বারস্থ হয়েছিল, কীভাবে তৃণমূল তাঁদের পাশে দাঁড়ায় এদিন সবটাই বলেন অভিষেক। মঞ্চ থেকে সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “বালুরঘাটের সাংসদের নাম কী? সুকান্ত মজুমদার। আপনারা সমাজমাধ্যমে দেখেছেন। তিন চারদিন আগে আমার কাছে দু’জন ছেলে এসেছিল। মহারাষ্ট্রে তারা ৭ মাস জেল খেটেছে।”

Abhishek on Sukanta: ‘বিজেপি নেতাকে বাঁচিয়েছে তৃণমূল, কিচ্ছু করেননি সুকান্ত মজুমদার’, হাটে কোন হাঁড়ি ভাঙলেন অভিষেক?
রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন Image Credit: TV 9 Bangla GFX
| Edited By: | Updated on: Jan 02, 2026 | 5:15 PM
Share

বারুইপুর: “যে বিজেপি নিজের বুথ সভাপতিকে রক্ষা করতে পারে না, সে বাংলার মানুষকে রক্ষা করবে?” বারুইপুরের সভা থেকে এ ভাষাতেই বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের তুলোধনা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সভা মঞ্চে শুরু থেকেই এসআইআর থেকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা, একাধিক ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে একহাত নিতে থাকেন অভিষেক। আর তখনই ফের একবার ভিন রাজ্যে বাঙালিদের উপর অত্যাচার নিয়ে সুর চড়াতে গিয়ে মহরাষ্ট্রে পরিযায়ী হেনস্থার কথা শোনা যায় অভিষেকের মুখে। 

কীভাবে পুলিশি হেনস্থার মুখে পড়ে বিজেপির বুথ সভাপতি তৃণমূলের দ্বারস্থ হয়েছিল, কীভাবে তৃণমূল তাঁদের পাশে দাঁড়ায় এদিন সবটাই বলেন অভিষেক। মঞ্চ থেকে সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “বালুরঘাটের সাংসদের নাম কী? সুকান্ত মজুমদার। আপনারা সমাজমাধ্যমে দেখেছেন। তিন চারদিন আগে আমার কাছে দু’জন ছেলে এসেছিল। মহারাষ্ট্রে তারা ৭ মাস জেল খেটেছে। তাঁদের একমাত্র দোষ মহারাষ্ট্রে গিয়ে বাংলায় কথা বলেছে। একজনের বাড়ি তপনে, একজনের বাড়ি কুমারগঞ্জে। দুটোই বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে।” এরপরই দুজনের পরিচয় সামনে আনেন, তুলে ধরেন রাজনৈতিক পরিচয়। 

একজনের নাম অসিত সরকার, একজনের নাম গৌতম বর্মন। গৌতম বর্মন বিজেপির বুথ সভাপতি। অভিষেক বলছেন, “ওরা বলছে আমরা বাংলায় কথা বলেছি বলে মহারাষ্ট্রের পুলিশ আমাদের জোরজবরদস্তি বাংলাদেশি বানিয়ে জেলে ঢুকিয়েছে। আমি বলি তোমাদের সাংসদ, বিধায়ককে ফোন করোনি? বলছে দাদা বউকে ফোন করলাম। বউ গিয়ে সুকান্ত মজুমদারের পায়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদল। একটা ফোন পর্যন্ত করেনি। বলছে জেলে গেছে যাক। মহারাষ্ট্রের সরকার বিজেপি, বালুরঘাটের সাংসদ বিজেপির। তাও একটা ফোন করে বলতে পারেন না এরা আপনার এলাকার লোক। জোর করে বাংলাদেশি বলা হচ্ছে, এদের ছাড়ুন। এইটুকু বিবেক, আত্মসম্মান, সচেতনতা যার নেই তাঁরা আর যাই হোক বাংলাকে ভালবাসতে পারে না।” দিনের শেষে তৃণমূলই যে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে, আইন লড়াই শেষে বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়েছে সে কথাও মঞ্চে দাঁড়িয়ে সোচ্চারে বলেন অভিষেক। বলেন, “মহারাষ্ট্রের লোয়ার কোর্টে আমরা লড়াই করে গৌতম বর্মন তাঁর বাড়িতে যে পৌঁছে দিয়েছে যে তার নাম হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির বুথ সভাপতিকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে। যে বিজেপি নিজের বুথ সভাপতিকে রক্ষা করতে পারে না, সে বাংলার মানুষকে রক্ষা করবে?”