West Bengal Update: অনুমোদনই ছিল না, ডায়মন্ড হারবারের সেবাশ্রয় নিয়ে এবার রিপোর্ট তলব করল নবান্ন
Breaking News Update in Bengali: আজ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন লোকসভার স্পিকার। এদিকে, উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে হুমায়ুন কবীরকে জোড়া থানায় তলব করা হয়েছে। আজ শক্তিপুর থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, আজ উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আজ উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উত্তরকন্যায় বৈঠক করবেন। বৈঠক শেষে আগামিকালই কলকাতায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর। এদিকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ। মিত্র ইনস্টিটিউশনে আসার কথা রয়েছে। তার আগে আজ স্কুল পরিদর্শনে গিয়েছেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। অন্যদিকে, আজ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন লোকসভার স্পিকার। এদিকে, উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে হুমায়ুন কবীরকে জোড়া থানায় তলব করা হয়েছে। আজ শক্তিপুর থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামিকাল রেজিনগর থানায় হাজিরা দিতে হবে। সব খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন টিভি৯ বাংলার লাইভ পেজে।
LIVE NEWS & UPDATES
-
TMC conflict: এবার দলের অফিস দখল নিয়ে ‘সম্মুখসমরে’ মমতা ও ঋতব্রত তৃণমূল
- সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টার কিছু পর। আচমকাই মেট্রোপলিটন তৃণমূলের কার্যালয়ে পৌঁছে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সঙ্গে ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খানরা।
- তাঁদের দাবি, তাঁরাই আসল তৃণমূল। সে কারণে প্রতীক-দল-পার্টি অফিসও তাঁদের। তৃণমূল কংগ্রেস ভবন এখন তাঁদেরই বলে দাবি করলেন ঋতব্রত।
- সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ তালা লাগিয়ে ঋতব্রতরা বেরিয়ে যান। বেরিয়ে যাওয়ার আগে সন্দীপন সাহা বললেন, “এটা তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস। বিধানসভায় বিরোধী দল হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।”
- সাতটার পর ধীরে ধীরে ঋতব্রতপন্থীরা কার্যালয় ছাড়ছিলেন। গেটে তখন তালা। ঠিক তার পাঁচ মিনিটের মধ্যে মেট্রোপলিটনে পৌঁছয় কালীঘাট তৃণমূল। তালা খুলে দখলমুক্ত করতে পৌঁছলেন কুণাল ঘোষরা।
বিস্তারিত পড়ুন: ঋতব্রত তালা লাগিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছলেন কুণাল! মেট্রোপলিটনে ভরসন্ধ্যায় টানটান নাটক
-
Shakir Ali: জামিন পেলেন অপরূপার স্বামী, মানতে হবে একাধিক শর্ত
- গ্রেফতারের ৪ দিনের মধ্যে স্বস্তি পেলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী শাকির আলি।
- ৩ বছর আগে রামনবমী মিছিলে অশান্তির ঘটনায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। ওই মামলায় শুক্রবার এনআইএ আদালতে জামিন পেলেন শাকির।
- তবে একাধিক শর্ত দিয়েছেন বিচারক।
- শাকিরের আইনজীবীর দাবি, ওই মামলায় শাকিরের কোনও ভূমিকা থাকার প্রমাণ দেখাতে পারেনি এনআইএ। তাই, তাঁদের আর্জি মেনে জামিন দিয়েছেন বিচারক।
বিস্তারিত পড়ুন: গ্রেফতারের ৪ দিনের মধ্যে অপরূপার স্বামী কেন জামিন পেয়ে গেলেন জানেন?
-
-
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। শুক্রবার এই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পন করার নির্দেশ ছিল মানিক ভট্টাচার্য, বিভাস অধিকারী ও রত্না বাগচীর।বিভাস আত্মসমর্পণ করলেও মানিক হাজিরা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ আদালত। আইনজীবীকে তীব্র ভর্ৎসনা। ১৭ জুলাই তাঁকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আজ আদালতে সশরীরে না এসে আইনজীবী মারফত হাজিরা দিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা।
-
দেবরাজের মামলায় নয়া তথ্য
তৃণমূলের রাজত্বে এলাকায় দাপট ছিল তাঁরও। বাগুইআটি, রাজারহাট-গোপালপুরে চলত রীতিমতো ‘দেব-রাজনীতি’। কানাঘুষো এও শোনা যায়, দেবরাজ চক্রবর্তীর (Debraj Chakraborty) নির্দেশ ছাড়া ওই এলাকায় একটা পাতাও নড়ত না। তোলাবাজি, হুমকি থেকে প্রোমোটারি, জমি দখল…দেবরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা লম্বা। পালবাদলের পর সেই দেবরাজের (Debraj Chakraborty Update) এখন ঠাঁই হয়েছে জেলে। বৃহস্পতিবারই দেবরাজকে সাতদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এবার দেবরাজের গ্রেফতারির ঘটনায় আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল তদন্তকারীদের হাতে।
মোবাইলের চ্যাট ডিলিট, কাউকে আড়ালের চেষ্টা করছেন দেবরাজ? তদন্তকারী হাতে উঠে এল নয়া তথ্য
-
চাপ বাড়ল তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের
কণ্ঠস্বরের নমুনা মামলায় ফের চাপে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে দ্রুত শুনানির আবেদন করেছিলেন। কিন্তু, তা খারিজ করে দিলেন বিচারপতি। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মঙ্গলবারের আগে কোনও আবেদনই তিনি শুনবেন না। এদিকে, বুধবারই অভিষেককে কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে বিধাননগর আদালত।
কণ্ঠস্বরের নমুনা মামলায় ফের চাপে অভিষেক, আবেদনই শুনলেন না বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য
-
-
মুখ্যমন্ত্রীর দূরদর্শিতা আছে: ওম বিড়লা
- লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, এক বিধায়কের থেকে মানুষের আশা, প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকে।এক বিধায়কের কী ভূমিকা? এই রাজ্যের কী আইন? রাজ্যবাসীর কী আশা, কী অবস্থা?- সবটা রাজ্যের উন্নয়নের সঙ্গে জুড়ে থাকে।
- ভাল বিধানসভা সেটাই যেখানে আলোচনা, সমস্যার পাশাপাশি সমাধান খোঁজা হয়। পুরোনো আলোচনা, বিতর্ক সব কিছু পড়া উচিত।
- বিধানসভা রাজ্যের কাজ করে। রাজ্যের কল্যাণ জন্য বিধানসভা কাজ করে। তথ্যের উপর নির্ভর করে আলোচনা করবেন। সেসব করেই নেতৃত্ব দেবেন। দেশের নেতৃত্ব দেবেন। শিখে যেতে হবে। শেখার ইচ্ছা থাকতে হবে। শেখার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। নিজের বিধানসভায় কিভাবে আরও ভাল করা যায়। নতুন কিছু করার জন্য শেখা উচিত।
- এখন ডিজিটাল দুনিয়ায়, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগ। এখন সবটা একসঙ্গে পাওয়া যায়। চাইলে অন্য দেশের বাজেট দেখতে পাবেন।
- যতটা সময় বিধানসভায় থাকা যায়, থাকবেন। বিধানসভায় যতক্ষণ থাকবেন, নতুন কিছু শিখবেন। আগ্রহ বাড়বে।আপনার বলার সুযোগ থাকুক, না থাকুক। বিধানসভায় থাকুন।
- পশ্চিমবঙ্গের মাটি উদ্যোগ, শিক্ষার, শিল্পের। তার পুনরুজ্জীবন করতে হবে।
- মুখ্যমন্ত্রীর একটা দূরদর্শিতা আছে। তিনি গণতন্ত্রের মধ্যে থেকেই সবটা করার কথা বলছেন।
- এটা ঐতিহাসিক সময়। অতীত আর ভবিষ্যত একসঙ্গে নিয়ে আপনারা এগোবেন। সমাজের প্রান্তিক মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার কাজ আমাদের লক্ষ্য। আপনারা যেভাবে কাজ করবেন, ইতিহাস আপনাদের মনে রাখবে।
-
আগের সরকার কী কী করত, তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী
- আমি নেগেটিভ কিছু বলব না, কিন্তু পরিস্থিতি বলছি। আমি চারবারের বিধায়ক, দুইবারের সাংসদ। জনতার ভোটে ছয়বার জনপ্রতিনিধি হয়েছি। আগে এত বাজে সিস্টেম ছিল না। প্রথমে ৩৪ বছর পার্টি অফিস থেকে সব হত। গত ১৫ বছরে কী হয়েছে, তা বলব না। বিরোধী দলনেতাও আছেন।
- ২০০৬ সালের বিধায়ক, ২০১৬, ২০২১- আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম। রাজ্যের নিন্দা করা শোভা দেয় না, কিন্তু বলছি, এমএলএ-এমপিদের কোনও সম্মান-মর্যাদা ছিল না। বিডিও, থানার কেউ বিধায়কদের ফোনও ধরত না। প্রতি জেলায় দিশা কমিটির মিটিংও হত না। কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হত না। সাধারণতন্ত্র দিবস, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন, কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন- বাংলায় সরকারের কোনও প্রোগ্রাম হলে কিছু বিধায়কদেরই শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয় দেখে আমন্ত্রণ করা হত।
- নির্বাচন হবে, রাজনৈতিক লড়াই হবে। বিগত পাঁচ বছরে আমি এলওপি ছিলাম, একটাও প্রশাসনিক মিটিংয়ে আমায় ডাকা হয়নি। পাঁচবার বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে আমায়। সাত মাস ভিতরে, বাকি সাড়ে ১১ মাস বিধানসভার বাইরে বিরোধী দলনেতা ছিলাম। বাজেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন যখন আসত, সাসপেন্ড করে দেওয়া হত। এই অবস্থা ছিল।
- এখন পরিস্থিতি বদল হয়েছে। জনগণ বদলে দিয়েছেন। বিগত দেড় মাসে আমি পাঁচবার প্রশাসনিক মিটিং করেছি, সকল বিধায়কদের ডেকেছি। বাজেটে বিরোধীদেরও কাজ রেখেছি। একসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের উন্নতি করতে হবে।
- স্পিকার স্যর আমায় বলছিলেন, আগের মতো বাংলাকে করে দিন। এত মানবসম্পদ আছে, এডুকেশন হাব, শিল্পের হাব এটা। প্রকৃতি সব দিয়েছে। বঙ্গোপসাগর, গঙ্গা নদী, পাহাড়, জঙ্গল, রেলওয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে। এটা উত্তর-পূর্বের গেটওয়ে।
- আমাদের বিধায়কদের জনপ্রিয়তা বাড়াতে হবে। এখানে পেপারে ভোট হয়। ইলেকট্রনিক্স ব্যবস্থা নেই।বিধানসভার পরিকাঠামো ঠিক করতে হবে। এখানে সেই ধরনের কাজ করতে হবে। সব জনগণের জন্য করতে হবে। পার্টির নয়, জনগণের সঙ্গে কাজ করতে হবে। বাংলা আবার দেশকে নেতৃত্ব দেবে। এই আশা রাখি।
-
শ্যামাপ্রসাদের কৃতিত্ব মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী
- ইতিহাস মনে করিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, ১৯৪৭ সালে যখন আমাদের দেশ ভাগের কথা হচ্ছিল, তখন অবিভক্ত বাংলা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। অবশেষে ব্রিটিশরা বলেন যে আইনসভা (বর্তমানের বিধানসভা)-র কাছ থেকে মতামত নিয়ে আসো যে গোটা বাংলা পাকিস্তানে চলে যাবে নাকি পূর্ব বাংলা পাকিস্তানে যাবে, পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থেকে যাবে। সেই সময় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় আইনসভার সদস্য ছিলেন। তিনি এই ইস্যু তুলেছিলেন। এরপরে ৫৮ জন সদস্য ভারতের জন্য ভোট দিয়েছিলেন। ২১ জন পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
- আমি এই মাটির ছেলে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা না থাকলে, ভারতমাতার চরণে আমাদের আশ্রয় হত না। এর কৃতিত্ব ডঃ শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের। উনি না থাকলে এই ভাষণ দেওয়ার সুযোগ, নির্বাচনে লড়ার সুযোগ হত না। তাই শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব মানতে হবে।
-
বিধায়কদের ভালোভাবে কাজ শেখার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
- বিধায়কদের প্রশিক্ষণ শিবিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এই ব্যবস্থাপনা যারা করেছেন, সকলকে ধন্যবাদ। সংসদের সচিব থেকে শুরু করে যারা সাহায্য করেছেন, আপনাদের জন্যই এই সফল প্রোগ্রাম করা সম্ভব হয়েছে।”
- আজ সকল বিধায়ককে ভালো করে কাজ শিখতে হবে। প্রথমবার যিনি নির্বাচিত হয়ে আসেন, তাদের শিখতে হয়। আপনাদের এই দু’দিন ভালো করে শিখতে হবে।
-
রাজ্যে আসছেন শাহ
রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে রাজ্যে আসবেন। শ্যামাপ্রসাদের মিত্র ইনস্টিটিউশনে যেতে পারেন শাহ। তার আগে মিত্র ইনস্টিটিউশন পরিদর্শনে পৌঁছন অগ্নিমিত্রা পাল।
-
বিধায়কদের দুই দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
- আজ থেকে বিধায়কদের দুই দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সংসদীয় রাজনীতি শেখাতে প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।
- বিধায়কদের প্রশিক্ষণ শিবিরে থাকবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তাঁর হাত ধরেই এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। কর্মসূচিতে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিধানসভার স্পিকার।
- এছাড়া, উপস্থিত থাকবেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু, হরিয়ানার রাজ্যপাল অসীমকুমার ঘোষ ও ৮ রাজ্যের স্পিকার।
-
উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী
- আজ উত্তরবঙ্গে যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উত্তর কন্যায় বৈঠক রয়েছে তাঁর।
- জানা গিয়েছে, আজ সকাল এগারোটায় নিউটাউনের অনুষ্ঠানের পর উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।
- বেলা দু’টোর সময় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করতেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বলে মনে করা হচ্ছে।
Published On - Jul 03,2026 10:16 AM
