AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Donald Trump: চিন থেকে ফিরেই ইরানে ফের বিধ্বংসী হামলা? এবার বড় পরিকল্পনা ট্রাম্পের

Trump is planning to attack Iran: চিনে যাওয়ার আগেই ট্রাম্প কড়া বার্তা দিয়েছিলেন ইরানকে। তাঁর হুঁশিয়ারি, হয় চুক্তিতে সম্মত হবে ইরান, তা না হলে পুরো ধ্বংস হয়ে যাবে। যেভাবেই হোক আমেরিকাই জিতবে। উল্লেখ্য, ৭ এপ্রিল থেকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। তারপরই দুই দিন আগে প্রথম চিন সফরে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দিনের সফর ছিল। শোনা যাচ্ছিল, চিন সফরের পর যুদ্ধ নিয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন ট্রাম্প। কিন্তু, পুনরায় যুদ্ধ ইঙ্গিত মিলতেই অঙ্কটা বদলাতে শুরু করেছে।

Donald Trump: চিন থেকে ফিরেই ইরানে ফের বিধ্বংসী হামলা? এবার বড় পরিকল্পনা ট্রাম্পের
ডোনাল্ড ট্রাম্পImage Credit: PTI
| Updated on: May 16, 2026 | 2:27 PM
Share

ওয়াশিংটন: চিন সফর সেরে ফিরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump)। জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের সাক্ষাৎ ঘিরে কূটনৈতিক মহলে কম আলোচনা হয়নি। জিনপিং (Xi Zinping) বার্তা দিয়েছেন, চিন ও আমেরিকা (China-America) প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। বিশ্বের স্বার্থে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্পও জিনপিং-কে বন্ধু বলে সম্বোধন করেছেন। কিন্তু এসবের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে দুই দেশের মধ্যে বৈঠকে ইরান নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হল? ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি স্থাপন কি সম্ভব? কিন্তু যা জানা যাচ্ছে, শান্তি তো দূরের কথা, চিন থেকে ফিরেই আবার নতুন করে ইরানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানে ফের কবে হামলা চালাবে আমেরিকা?

নিউ ইয়র্কস টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি ২.০’-র (Operation Epic Fury 2.0) পরিকল্পনা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সপ্তাহে মার্কিন কংগ্রেসে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, “প্রয়োজন হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। হামলার পরিকল্পনা আমাদের আছে।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’জন কর্তা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেই ইরানের বিরুদ্ধে ফের হামলা শুরু করার জন্য আমেরিকা ও ইজ়রায়েল জোরদার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

চিনে যাওয়ার আগেই ট্রাম্প কড়া বার্তা দিয়েছিলেন ইরানকে। তাঁর হুঁশিয়ারি, হয় চুক্তিতে সম্মত হবে ইরান, তা না হলে পুরো ধ্বংস হয়ে যাবে। যেভাবেই হোক আমেরিকাই জিতবে। উল্লেখ্য, ৭ এপ্রিল থেকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। তারপরই দুই দিন আগে প্রথম চিন সফরে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দিনের সফর ছিল। দুই নেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। বৈঠকে ইরান এবং হরমুজ প্রণালীর অবরোধ নিয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু কী আলোচনা হয়েছে, সেই বিষয়ে কেউই কিছু বলেননি। তবে, শোনা যাচ্ছিল, চিন সফরের পর যুদ্ধ নিয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন ট্রাম্প। কিন্তু, পুনরায় যুদ্ধ ইঙ্গিত মিলতেই অঙ্কটা বদলাতে শুরু করেছে।

কোন কোন ক্ষেত্রে হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প?

ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে জোরালোভাবে আঘাত আনা হতে পারে। এছাড়া, মাটির গভীরে পারমাণবিক উপাদানের সন্ধানে বিশেষ অভিযানকারী সেনাদের মোতায়েন করতে পারেন ট্রাম্প। তবে, এই ধরনের অভিযানে হাজার হাজার সেনার প্রয়োজন হবে। সেনাদের দিয়ে ইরানের তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র খর্গ দ্বীপ দখল করা।

ইরানের কী প্রতিক্রিয়া?

ইরানের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারাও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। তাদের সেনা যে কোনও হামলার পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত।

Follow Us