Xi Jinping US Visit: ১১ বছরে প্রথমবার আমেরিকায় জিনপিং, পা রাখতেই শুল্ক যুদ্ধ নিয়ে বিরাট ঘোষণা
Xi Jinping-Donald Trump Meeting: তিনদিনের মার্কিন সফরে এসেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট। আজ সকালেই শি জিনপিং ও তাঁর স্ত্রী পেং লিউয়ান আমেরিকায় এসে পৌঁছন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হাত মিলিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান। তাদের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছিল।

ওয়াশিংটন: দুই মেরুর শক্তি। দুজনেরই লড়াই নিজেকে সেরা প্রমাণ করার। সেখানেই যাবতীয় দূরত্ব ঘুচিয়ে আমেরিকার মাটিতে পা রাখলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ১১ বছরের এই প্রথম তিনি মার্কিন সফরে গেলেন। আর মার্কিন মুলুকে পৌঁছতেই, সঙ্গে সঙ্গে বড় ঘোষণা হয়ে গেল। আপাতত দুই দেশের মধ্যে শুল্ক যুদ্ধে সংঘর্ষবিরতি।
মার্কিন সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেছেন যে আমেরিকা ও চিন তাদের বাণিজ্য চুক্তির মেয়াদ আরও দুই মাসের জন্য বাড়ানোর প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে। চিনের প্রেসিডেন্ট আমেরিকায় পা রাখতেই এই ঘোষণা করেন তিনি।
পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে শুল্ক নিয়ন্ত্রণ ও কিছু রফতানিতে রাশ টানতে গত বছর যে চুক্তি হয়েছিল, তার জন্য ১০ জানুয়ারির ডেডলাইনও ঘোষণা করেন বেসেন্ট। চিনের তরফে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করা হলেও, বেসেন্ট বলেছেন, “আমি জানি না এর থেকে বড় চুক্তি আর কিছু হতে পারে কি না।”
তিনদিনের মার্কিন সফরে এসেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট। আজ সকালেই শি জিনপিং ও তাঁর স্ত্রী পেং লিউয়ান আমেরিকায় এসে পৌঁছন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হাত মিলিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান। তাদের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছিল। এয়ারবেসেই ২১টি গার্ড অব অনার দেওয়া হয় জিনপিং ও তাঁর স্ত্রীকে। ১০০ ফুটের রেড কার্পেট পাতা হয়েছিল তাদের জন্য। মার্কিন এয়ার ফোর্স ব্যান্ড ও তোপ দাগাও হয়। দুটি মার্কিন এয়ারফোর্সের বি-১ বম্বার মাথার উপর দিয়ে উড়ে যায়।
প্রসঙ্গত, গত ছয় দশকে এই প্রথম কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোনও রাষ্ট্রনেতাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গেলেন।
জিনপিংয়ের আমেরিকা সফরে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সামরিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি ইরান, তাইওয়ান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হতে পারে।
গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে একটি সামিটে অংশ নিতে গিয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি হয়েছিল। সেই সময়ই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে চড়া ট্যারিফ আপাতত বন্ধ রাখা হবে। বিরল মৃত্তিকা খনিজের রফতানি নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং মার্কিন বন্দরে চিনর তৈরি ও মালিকানাধীন জাহাজে বিপুল শুল্ক চাপানো হবে না।
