Donald Trump : ১০ দিন হামলা নয়, ইরানের ‘অনুরোধ’ রাখল আমেরিকা! যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত?
Iran-US Conflict : ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে ট্রাম্প লিখেছেন,"ইরানের অনুরোধ অনুযায়ী আমি ওই দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে আপাতত হামলা চালাব না। ১০ দিনের জন্য হামলা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যা সোমবার, ৬ এপ্রিল রাত ৮টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।" ট্রাম্পের ইঙ্গিত, ইরানের সঙ্গে ভালই আলোচনা হচ্ছে।।"

ওয়াশিংটন : যুদ্ধ কবে থামবে? আদৌ কি থামবে? প্রশ্ন উঠছে, কিন্তু উত্তর মিলছে কোথায়? শুধুই জল্পনার মেঘ তৈরি হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার ভালই আলোচনা চলছে। তারই ফলস্বরূপ ৫ দিন ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে হামলা না চালানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সেই ডেডলাইন আরও ৫দিন বাড়িয়ে দিলেন। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অন্তত ১০ দিন আমেরিকা ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির উপর হামলা চালাবে না।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে ট্রাম্প লিখেছেন,”ইরানের অনুরোধ অনুযায়ী আমি ওই দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে আপাতত হামলা চালাব না। ১০ দিনের জন্য হামলা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যা সোমবার, ৬ এপ্রিল রাত ৮টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।” ট্রাম্পের ইঙ্গিত, ইরানের সঙ্গে ভালই আলোচনা হচ্ছে। অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথাকথিত “ভুল বিবৃতির” বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “আলোচনা চলছে এবং তা খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ় না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। সেই ট্রাম্পই দুই দিনের মধ্যে সুর নরম করে ডেডলাইন বাড়িয়ে দেন। ট্রাম্প জানান, আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে ভাল এবং ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আগামী পাঁচ দিন ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে কোনও হামলা চালানো হবে না। তবে, এও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে আলোচনা যদি ফলপ্রসূ না হয়, বা তেহরান হামলা চালায়, তাহলে আমেরিকা কড়া পদক্ষেপ করবে।
এরই মধ্যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। যদিও পাকিস্তানের এই ভূমিকার কড়া নিন্দা করেছে ভারত। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দাবি করেছেন, “ভারত এই ধরনের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় কখনও বিশ্বাসী নয়। ভারত পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয়।” তবে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলি দাবি করছে, ইসলামাবাদই নাকি দুই দেশের কথাবার্তার মাধ্যম হয়ে উঠেছে। যার ফলস্বরূপ ট্রাম্পের আরও ১০দিন যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
