Strait of Hormuz: তেল আনতে ফেলতে হচ্ছে কড়ি, হরমুজ প্রণালীতে এন্ট্রি ফি লাগছে ১৮ কোটির বেশি!
Iran War Update: বিশ্বের তেল ও জ্বালানি সরবরাহের একটা বড় অংশ ইরানের হরমুজ প্রণালীর মধ্যে দিয়ে যায়, তাই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করতেই জাহাজের জ্যাম লেগে গিয়েছে। এবার ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে বেছে বেছে কিছু জাহাজ যেতে দিলেও, তার জন্য আলাদাভাবে চার্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তেহরান: যুদ্ধের ফায়দা তুলছে ইরান। একদিকে যেখানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জবাব দিতে গিয়ে কোটি কোটি টাকা সেনা ও সামরিক অস্ত্র-শস্ত্রের পিছনে খরচ করতে হচ্ছে ইরানকে, সেখানেই এই যুদ্ধের জেরে আয়ের পথও খুলে গিয়েছে ইরানের সামনে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য টাকা নিচ্ছে ইরান। তাও আবার অল্প-বিস্তর নয়, ভেসেল পিছু ২ মিলিয়ন ডলার চার্জ নিচ্ছে ইরান।
যুদ্ধের রাশ নিজের হাতে রাখতে ইরানের এটা মোক্ষম চাল। এ কথা বলছেন কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। যেহেতু বিশ্বের তেল ও জ্বালানি সরবরাহের একটা বড় অংশ ইরানের হরমুজ প্রণালীর মধ্যে দিয়ে যায়, তাই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করতেই জাহাজের জ্যাম লেগে গিয়েছে। এবার ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে বেছে বেছে কিছু জাহাজ যেতে দিলেও, তার জন্য আলাদাভাবে চার্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর জন্য দিতে হবে ২ মিলিয়ন ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক ১৮.৮ কোটি টাকা।
ইরানের সংসদের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটির সদস্য আলয়েদ্দিন বোরোউজার্দি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী বহু দশক পর নতুন সার্বভৌম জমানায় প্রবেশ করেছে। কর নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত তারই প্রতিফলন। তাঁর কথায়, “কিছু জাহাজের কাছ থেকে ২ মিলিয়ন ডলার ট্রানজিট ফি নেওয়া ইরানের শক্তির প্রতিফলন। কারণ যুদ্ধের খরচ রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের হরমুজ প্রণালীর মধ্যে দিয়ে যেতে ট্রানজিট ফি নিতে হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী খোলানোর জন্য হুমকি দিয়েছেন। যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী না খোলা হয়, তাহলে আমেরিকা ইরানের পাওয়ার প্ল্যান্টগুলিতে হামলা করবে। অন্যদিকে, ইরানও পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে যে ইজরায়েলের শক্তি ভাণ্ডার ও আমেরিকার বিভিন্ন পরিকাঠামো তাদের মিসাইলের নাগাদের মধ্যেই রয়েছে। একদিনেই তা ধ্বংস করে দেওয়া যাবে।
