India-Pakistan: ‘জল আটকানোর চেষ্টা করলে হাত কেটে দেব’, সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি নিয়ে ফের ভারতকে হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের
Pakistan warns India on Indus Waters Treaty: নাম না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (PM Narendra Modi) আক্রমণ করেছেন পাকিস্তানের মন্ত্রী। তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সঙ্গে এক যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মুসাদ্দিক বলেন, "প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাকিস্তানে এক ফোঁটা জলও দেওয়া হবে না।কিন্তু, পাকিস্তান নিজেদের ভাগের জলের জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ করবে এবং কোনওভাবেই জল আটকাতে দেবে না।"

ইসলামাবাদ: সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি (Indus Waters Treaty) নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ফের উত্তেজনা বাড়ছে। জলবন্টন ইস্যুতে ভারতকে আরও একবার কড়া বার্তা পাকিস্তানের (Pakistan Warns India)। সিন্ধুর জল আটকালে ‘হাত কেটে’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন সেদেশের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদ্দিক মালিক। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর থেকেই ভারত সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি স্থগিত রেখেছে।
মোদীকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী মোদীর
নাম না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (PM Narendra Modi) আক্রমণ করেছেন পাকিস্তানের মন্ত্রী। তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সঙ্গে এক যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মুসাদ্দিক বলেন, “প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাকিস্তানে এক ফোঁটা জলও দেওয়া হবে না। কিন্তু, পাকিস্তান নিজেদের ভাগের জলের জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ করবে এবং কোনওভাবেই জল আটকাতে দেবে না।” এখনও পর্যন্ত ভারতের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। যদিও পাকিস্তানের মন্ত্রীর মন্তব্যের সত্যতা যাচাই করেনি টিভি৯ বাংলা।
সিন্ধু জলচুক্তি এখনও কার্যকর
সাংবাদিক বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন, সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি এখনও সম্পূর্ণভাবে কার্যকর রয়েছে। তাঁর মতে, ভারত একতরফাভাবে এই চুক্তি বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে না। তিনি আরও দাবি করেন, এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের অবস্থান সমর্থন পেয়েছে এবং ভারতের যুক্তি কোনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি।
কী এই সিন্ধু জলচুক্তি?
১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু জলবন্টনচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তি অনুযায়ী রাভি, বিয়াস ও শতদ্রু নদীর জল ব্যবহারের অধিকার ভারতের। আর সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব নদীর অধিকাংশ জল ব্যবহারের অধিকার পাকিস্তানের। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে একাধিক যুদ্ধ ও দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সত্ত্বেও এই চুক্তি কার্যকর ছিল। তবে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত চুক্তিটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
