PM Modi News: তারেকের শপথপাঠে যোগ দেবেন মোদী? আমন্ত্রণ পাঠানোর কথা ভাবছে বিএনপি
Tarique Rahman May Invite Modi: প্রাথমিকভাবে শনিবারই শপথপাঠের কথা ছিল বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। কিন্তু প্রশাসনিক ও সংসদীয় নীতির কারণে তা পিছিয়ে গিয়েছে দিন তিনেক। বর্তমানে বাংলাদেশে কোনও সংসদ নেই। ফলত নেই স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার। এই পরিস্থিতি সেদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সামনেই শপথবাক্য পাঠ করবেন তারেক রহমান।

ঢাকা: তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানানোর কথা ভাবছে বাংলাদেশে সদ্য জয়ী দল বিএনপি। শনিবার একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে একান্ত সাক্ষাৎকারেই এই সম্ভবনার কথা জানালেন বিএনপি বিদেশ উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর।
প্রাথমিকভাবে শনিবারই শপথপাঠের কথা ছিল বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। কিন্তু প্রশাসনিক ও সংসদীয় নীতির কারণে তা পিছিয়ে গিয়েছে দিন তিনেক। বর্তমানে বাংলাদেশে কোনও সংসদ নেই। ফলত নেই স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার। এই পরিস্থিতি সেদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সামনেই শপথবাক্য পাঠ করবেন তারেক রহমান। সেই নিয়ম অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পর শপথপাঠের জন্য তিন দিন অপেক্ষা করতে হয়। আশা করা যাচ্ছে, আসন্ন সোমবার বা মঙ্গলবারেই শপথপাঠ করবেন খালেদা-পুত্র। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে কি থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?
এদিন হুমায়ুন কবীর বলেন, “এই অঞ্চল (দক্ষিণ এশিয়া) আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যা তারেক রহমানের বিদেশনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমাদের হাতে সময়ও খুব অল্প।” এই মর্মে ভারতের সঙ্গে সৌজন্যতা তৈরির ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, “মানুষকে কখন আমন্ত্রণ জানানো হয়, যখন আমরা আশা করি, যে তিনি আসবেন। আর এটাই তো উচিত।”
গতকাল অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের নির্বাচনী ফলাফল স্পষ্ট হতেই তারেক রহমানকে প্রথম অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি পোস্ট লেখেন। সূত্রের খবর, শুধুই পোস্ট করে ক্ষান্ত হননি মোদী, ফোনেও কথা হয় উভয়পক্ষের। এবার আমন্ত্রণ আসা নিয়ে তৈরি হয়েছে সম্ভবনা। তবে এই মর্মে নয়াদিল্লির অবস্থান এখনও জানা যায়নি।
প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে ভারতীয় প্রতিনিধি হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তারেক রহমানের হাতে মোদীর লেখা একটি চিঠিও তুলে দিয়ে এসেছিলেন তিনি। সেই থেকেই কূটনৈতিক মহলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন যুগ নিয়ে তৈরি হয়েছিল নানা জল্পনা। নয়াদিল্লি জামায়াতকে পেরিয়ে তারেক রহমানকেই ক্ষমতায় চেয়েছিল বলে মনে করেন একাংশ। কিন্তু তারেক রহমান কি তা মনে করেন? ভারত নিয়ে তাঁর মত কী? শনিবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে খালেদা পুত্রের সাফ বার্তা, “বিদেশনীতি নিয়ে আমাদের ভাবনা স্পষ্ট। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশিদের স্বার্থই সবার আগে, এটাই আমাদের বিদেশনীতি।”
