AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bangladesh Update: ১৮ দিনে ষষ্ঠতম হত্যার অভিযোগ! বাংলাদেশে ‘খুন’ আরও এক হিন্দু ব্যবসায়ী

Another Hindu Killed in Bangladesh: সোমবার রাতে প্রতিদিনের মতোই নিজের দোকানপাট নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন মণি। তখন বাজারে ঠাসা ভিড়। রাত হলেও মানুষের আনাগোনা কমেনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এমন সময়ই কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি মণির উপর চড়াও হয়। অতর্কিতেই হামলা চালায় তাঁর উপর। গুরুতর ভাবে আহত হন মণি। বাজারের অন্য ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই সময় পেরিয়ে গিয়েছিল।

Bangladesh Update: ১৮ দিনে ষষ্ঠতম হত্যার অভিযোগ! বাংলাদেশে 'খুন' আরও এক হিন্দু ব্যবসায়ী
নিহত মণি চক্রবর্তীImage Credit: সংগৃহিত (X)
| Edited By: | Updated on: Jan 06, 2026 | 7:37 AM
Share

ঢাকা: একই দিনে দু’জায়গায় হিন্দু নিধনের অভিযোগ। নৈরাজ্যের বাংলাদেশ ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক পরিসরে। সোমবার একদিকে যশোরের কপালিয়া বাজারে গলা কেটে খুন করা হল ব্যবসায়ী তথা সাংবাদিক রাণাপ্রতাপ বৈরাগীকে। এই ঘটনার ক্ষণিকের ব্যবধানেই আরও এক সংখ্য়ালঘু হিন্দুকে খুন করার অভিযোগ উঠল উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে। যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। গত ১৮ দিনে এই নিয়ে বাংলাদেশে এটা ষষ্ঠতম হিন্দু নিধনের অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতের নাম মণি চক্রবর্তী। তিনি ঢাকার নরসিংদীর বাসিন্দা। পেশায় ব্যবসায়ী। ওই নরসিংদীর জেলার অন্তর্গত পলাশ উপজেলায় চরসিন্দুর বাজারে একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে মণির। বাজারে তাঁর ভালই পরিচিত ছিল। শান্ত স্বভাবের মানুষ বলেই তাঁকে অন্য ব্যবসায়ীরা। কারওর সঙ্গে কোনও বিবাদের খবর পাওয়া যায়নি। তা হলে সেই ব্যক্তির পরিণতি কী ভাবে? ধর্মের দোহাই দিয়েই মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হল না তো? প্রশ্ন তুলছেন একাংশ।

সোমবার রাতে প্রতিদিনের মতোই নিজের দোকানপাট নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন মণি। তখন বাজারে ঠাসা ভিড়। রাত হলেও মানুষের আনাগোনা কমেনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এমন সময়ই কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি মণির উপর চড়াও হয়। অতর্কিতেই হামলা চালায় তাঁর উপর। গুরুতর ভাবে আহত হন মণি। বাজারের অন্য ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ইতিমধ্য়েই আরও একজন সংখ্যালঘু হিন্দুর হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশে হিন্দুদের মধ্য়ে আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মণির ‘হত্যার’ বিচার চেয়েছে পরিবার। তবে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি।

১৮ দিন ষষ্ঠতম হত্যা

শুরু হয়েছিল দীপু দাসকে দিয়ে। ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তুলে প্রথমে গণপিটুনি। তারপর গাছে বঁ বেঁধে দীপুর গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল উগ্রপন্থীরা। সেই পৈশাচিক দৃশ্য ছিল ভয়াবহ, হিমস্রোত বইয়ে দেওয়ার মতো। তারপর থেকে বাংলাদেশের নানা উপজেলা থেকে উঠে এসেছে হিন্দু নিধনের অভিযোগ। উঠে এসেছে একের পর এক নাম। এবার সেই নিহতদের তালিকায় যোগ হল মণি চক্রবর্তীর নামও। কিন্তু বিচার? তা এখনও অধরা।