Adani Power Supply to Bangladesh: ‘আঁধারে ডুবে’ বাংলাদেশ, আলো জ্বালাতে আদানি গোষ্ঠীর কাছে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করতে অনুরোধ ঢাকার!
Bangladesh Crisis: সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্ট বলছে, বিদ্যুতের দাম কত হবে সেই নিয়ে আদানির সঙ্গে বিরোধ রয়েছে বাংলাদেশের। তারা আরও বলছে, অন্যান্য ভারতীয় সংস্থা যারা ঢাকাকে বিদ্যুৎ বিক্রি করে তাদের তুলনায় ৫৫ শতাংশ বেশি অর্থে বাংলাদেশের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আদানি।

২০১৭ সালে যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা, তখনই আদানি পাওয়ারের সঙ্গে ২৫ বছরের বিদ্যুৎ সরবরাহের চুক্তি করেছিলেন। ঝাড়খণ্ডে ২ বিলিয়ন ডলার খরচে তৈরি করা হয়েছিল একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। যেখানে ২টো ইউনিট থেকে মোট ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরি হওয়ার কথা যা শুধুমাত্র বাংলাদেশকে বিক্রি করার কথা ছিল আদানি পাওয়ারের।
কিন্তু বাংলাদেশ বিদ্যুতের বকেয়া মেটাতে দেরি করায় ২০২৪ সালের অক্টোবরের ৩১ তারিখ বিদ্যুতের সরবরাহ অর্ধেক করে দেয় আদানি পাওয়ার। তারপরই ওই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ১টি ইউনিট বন্ধ করে দেয় সংস্থাটি। বর্তমানে ঝাড়খন্ডের কেন্দ্রটিতে তার ক্ষমতার মাত্র ৪২ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে আদানি।
ডিসেম্বরে, আদানির একটি সূত্রের খবর, বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের কাছে আদানির প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার প্রাপ্য ছিল। অন্য দিকে, বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলছেন ৯০০ মিলিয়ন ডলার নয়, এই পাওনার অঙ্কটা ৬৫০ মিলিয়ন ডলার।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশও এর পর আদানিকে জানিয়েছে এই অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ জারি রাখতে। বাংলাদেশের পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড জানিয়েছে এই ঋণ শোধ করার জন্য তারা আদানি পাওয়ারকে মাসিক ৮৫ মিলিয়ন ডলার করে দিচ্ছে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্ট বলছে, বিদ্যুতের দাম কত হবে সেই নিয়ে আদানির সঙ্গে বিরোধ রয়েছে বাংলাদেশের। তারা আরও বলছে, অন্যান্য ভারতীয় সংস্থা যারা ঢাকাকে বিদ্যুৎ বিক্রি করে তাদের তুলনায় ৫৫ শতাংশ বেশি অর্থে বাংলাদেশের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আদানি।
বাংলাদেশের একটি আদালত বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছে। যারা আদালতের নির্দেশের ভিত্তিতে এই বৈদ্যুতিক চুক্তির বিষয়ে পর্যালোচনা করবে। এই মাসেই ওই কমিটির প্রতিবেদন সামনে আসতে পারে। আর তারপরই ওই চুক্তির বিষয়টি নিয়ে ফের পর্যালোচনা করা হতে পারে, জানিয়েছে রয়টার্স। যদিও আদানি পাওয়ারের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের সঙ্গে সমস্ত নিয়োম মেনেই হয়েছিল এবং এই চুক্তি ঢাকা ফের পর্যালোচনা করছে, এমন কোনও খবর নেই।
