Bank Rules: একই ব্যাঙ্কে ২টি Savings Account রাখেন? কী কী সুবিধা ও অসুবিধা বিস্তারিত জেনে নিন!
Money : আসলে বিষয়টি সম্পূর্ণ ইউজারের নিজের উপর, যে তিনি একটি অ্যাকাউন্ট রাখবেন নাকি দুটি। তবে তার আগে দুই অ্যাকাউন্টের মিনিমাম ব্যালেন্স, ডেবিট কার্ড ও অন্যান্য চার্জ দেখে নেয়া জরুরি। দুটি অ্যাকাউন্ট থাকলে কোনটিতে কত টাকা আছে, কোন অ্যাকাউন্ট থেকে কোন পেমেন্ট করা হচ্ছে - এসব হিসেবে রাখার ঝামেলা বাড়ে।

কলকাতা : প্রয়োজন অনুযায়ী অনেকেই এক ব্যাঙ্কে দুটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট রাখেন অনেকেই। একটি অ্যাকাউন্টে বেতন বা নিয়মিত আয় জমা হয়, অন্যটি ব্যবহার করা হয় সঞ্চয়, অনলাইন শপিং বা নির্দিষ্ট খরচের জন্য। একই ব্যাঙ্কে একাধিক সেভিংস অ্যাকাউন্ট রাখা বেআইনি নয়। তবে প্রশ্ন হল, আদৌ কি এতে সুবিধে পাওয়া যায়? একদিকে যেমন এতে বাজেট ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়, অন্যদিকে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করার ঝামেলা থেকেও মুক্তি।
একই ব্যাঙ্কে দুটি অ্যাকাউন্ট রাখার সুবিধে –
১) দুটি অ্যাকাউন্ট থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা ভাগ করে নেওয়া সুবিধাজনক। যেমন, একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সংসারের দৈনন্দিন খরচ চালানো যেতে পারে। আর অন্যটিতে রাখা যেতে পারে সঞ্চয়ের অর্থ। ফলে, কোথায় কত টাকা খরচ হচ্ছে, তা হিসেবে রাখাও সহজ হয়।
২) মাসের শুরুতেই বেতন বা আয় হাতে পাওয়ার পর নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ টাকা ২য় অ্যাকাউন্টে সরিয়ে রাখা সম্ভব। ফলে দৈনন্দিন খরচের সঙ্গে সঞ্চয়ের টাকা এক হয়ে যায় না। অপ্রয়োজনীয় খরচের সম্ভাবনাও কিছুটা কমে যায়।
৩) একই ব্যাঙ্কে বিভিন্ন ধরণের সেভিংস অ্যাকাউন্ট থাকলে আলাদা আলাদা সুবিধে পাওয়া যায়। কোনও অ্যাকাউন্টে বেশি রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়া যায়, আবার কোনও অ্যাকাউন্টে থাকে জিরো ব্যালেন্সের সুবিধে।
৪) একই অ্যাপে দুটি অ্যাকাউন্ট থাকলে সাধারণত একটি মোবাইল অ্যাপ বা নেট ব্যাঙ্কিং দিয়েও দুটি অ্যাকাউন্ট রাখা যায়। ফলে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো বেশ সহজ হয়।
দুটি অ্যাকাউন্ট রাখার অসুবিধে –
১) যদি ২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই মাসিক বা ত্রৈমাসিক ব্যালান্স রাখার কোনও শর্ত থাকে, তাহলে দুটি অ্যাকাউন্টেই পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ রাখতে হয়। নির্ধারিত ব্যালান্সের নিচে নেমে গেলে ব্যাঙ্ক জরিমানা করতে পারে।
২) দুটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা আলাদা ডেবিট কার্ড, এসএমএস অ্যালার্ট, চেকবুক ইত্যাদির চার্জ প্রযোজ্য হয়। ফলে আপনার মোট ব্যাঙ্কিং খরচ বাড়তে পারে।
৩) দুটি অ্যাকাউন্ট থাকলে কোনটিতে কত টাকা আছে, কোন অ্যাকাউন্ট থেকে কোন পেমেন্ট করা হচ্ছে – এসব হিসেবে রাখার ঝামেলা বাড়ে। বিশেষ করে কোনও একটি অ্যাকাউন্ট দীর্ঘদিন ব্যবহার না করলে সেই ডরম্যান্ট হয়ে যেতে পারে।
আসলে বিষয়টি সম্পূর্ণ ইউজারের নিজের উপর, যে তিনি একটি অ্যাকাউন্ট রাখবেন নাকি দুটি। তবে তার আগে দুই অ্যাকাউন্টের মিনিমাম ব্যালেন্স, ডেবিট কার্ড ও অন্যান্য চার্জ দেখে নেয়া জরুরি। একটি অ্যাকাউন্ট দিয়েই কাজ হয়ে গেলে আর অন্য অ্যাকাউন্ট দরকার নেই।
