ECI: ছাব্বিশের ভোটে আরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী? কমিশনকে কী বললেন CEO?
West Bengal Assembly election: বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা কত থাকবে, তা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। তবে আমাদের দাবি, যেন পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় ভোটের সময় মোতায়েন করা হয়।" অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সহসভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, "যতই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক, বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন।"

নয়াদিল্লি: আর মাস চারেকের মধ্যে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। নির্ঘণ্ট ঘোষণা না করলেও বিধানসভা ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তৎপর হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার নয়াদিল্লিতে সেই নিরাপত্তা নিয়ে কমিশনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে গত বিধানসভা ভোটের তুলনায় আসন্ন নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানোর আবেদন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। পশ্চিমবঙ্গের ভোটে দফা হ্রাস করা হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত বাহিনী প্রয়োজন বলে মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা আসন সংখ্যা ২৯৪টি। একুশের নির্বাচনে আট দফায় ভোট হয়েছিল। প্রত্যেক দফায় আলাদা আলাদা সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, ছাব্বিশের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানোর জন্য এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে আবেদন করেন মনোজ আগরওয়াল। এদিন বাংলার পাশাপাশি ভোটমুখী তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরীর নির্বাচনী আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। সেখানেই বাংলায় ভোটের দফা কমানো নিয়েও আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, মোট সংবেদনশীল বুথের সংখ্যা কত হবে, তার নিরিখেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা চূড়ান্ত করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা কত থাকবে, তা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। তবে আমাদের দাবি, যেন পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় ভোটের সময় মোতায়েন করা হয়।” এর আগে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বাইরে রাখলে হবে না। বুথের ভিতর মোতায়েন করতে হবে। কারণ, সেখানেই ভোট লুঠ হয়।
এদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ানোর আবেদন নিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সহসভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “একুশেও তো কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছিল। যত খুশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করুক। বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন।”
