‘ধুরন্ধর ২’-এর সেই বাথরুম দৃশ্য! তিন রাত ঘুমোতে পারেননি ‘পিন্ডা’ উদয়বীর
সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা চলছে যে, পিন্ডা চরিত্রটি আসলে বাস্তব জীবনের কুখ্যাত গ্যাংস্টার হরবিন্দর সিং সান্ধু ওরফে রিন্ডার আদলে তৈরি। তবে অভিনেতা এই দাবি সটান উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, পরিচালক তাকে জাসকিরতের (রণবীর সিং) এক বন্ধুর চরিত্র হিসেবেই ব্রিফ করেছিলেন।

বক্স অফিসে এখন রাজত্ব করছে রণবীর সিং অভিনীত স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর ২’। হল ফেরত বহু দর্শক ইন্টারভ্যালের সেই হাড়হিম করা বাথরুম সিকোয়েন্স এখনও ভুলতে পারেননি। ছবিতে ‘পিন্ডা’র চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি নজর কেড়েছেন উদয়বীর সান্ধু। তবে এই এক একটা শট নিখুঁত করতে অভিনেতাকে যে কতটা মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, তা সম্প্রতি ফাঁস করলেন তিনি নিজেই। উদয়বীর জানিয়েছেন, ওই দৃশ্যটির শুটিং চলাকালীন টানা তিন রাত এক ফোঁটা চোখের পাতা এক করতে পারেননি তিনি।
উদয়বীরের কাছে এই বাথরুম সিনটি কেবল একটি দৃশ্য ছিল না, বরং তার চরিত্রের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মুহূর্ত ছিল। অভিনেতার কথায়, বিমানবন্দর বা গাড়ির দৃশ্যগুলো সহজ হলেও বাথরুমের এই সিকোয়েন্সটি ছিল সবথেকে কঠিন। শুটিং শেষে যখন তিনি পরিচালক আদিত্য ধরকে জিজ্ঞেস করেন, “স্যার, ঠিক হয়েছে তো?” তখন আদিত্যর উত্তর ছিল চমকে দেওয়ার মতো। পরিচালক তাঁকে বলেন, “তুমি জানোই না তুমি আজ কী করে ফেলেছ!” পরিচালকের এই সার্টিফিকেটই উদয়বীরের কাছে ছিল সবথেকে বড় পাওনা।
শুটিংয়ের তিনটে দিন কার্যত নির্ঘুম কাটিয়েছেন অভিনেতা। প্রথম রাতে ছিল প্রচণ্ড উত্তেজনা আর ভয়- ঠিকঠাক হবে তো? উদয়বীর বলেন, “পিন্ডা চরিত্রটি মাদকাসক্ত, তাই ওকে একটু ‘জোনড আউট’ বা ঘোরের মধ্যে দেখাতে হত। অদ্ভুতভাবে আমার ওই অনিদ্রা চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে। কিন্তু পরের দুই রাত আমি আর চাইলেও ঘুমোতে পারিনি।” এই চরিত্রের জন্য তাকে ১৫ কেজি ওজন বাড়ানো এবং কমানোর মতো কঠিন লড়াইও লড়তে হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা চলছে যে, পিন্ডা চরিত্রটি আসলে বাস্তব জীবনের কুখ্যাত গ্যাংস্টার হরবিন্দর সিং সান্ধু ওরফে রিন্ডার আদলে তৈরি। তবে অভিনেতা এই দাবি সটান উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, পরিচালক তাকে জাসকিরতের (রণবীর সিং) এক বন্ধুর চরিত্র হিসেবেই ব্রিফ করেছিলেন। বাস্তব কোনও গ্যাংস্টারের সঙ্গে এর যোগ নেই বলেই তিনি জানেন। ১৯ মার্চ মুক্তির পর থেকে বিশ্বজুড়ে ৮৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করে ফেলেছে এই ছবি। উইকেন্ডে আরও ঝড় উঠবে বক্স অফিসে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
