‘ঔদ্ধত্যের ফল…’, কল্যাণকে নিয়ে জন্মদিনে মুখ খুললেন কাঞ্চন
অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক জন্মদিন সেলিব্রেট করলেন, পরিবারের সঙ্গে। শ্রীময়ী চট্টরাজ আর মেয়ে কৃষভিকে নিয়ে কেক কেটে তিনি জন্মদিন পালন করেন আগের রাতেই। জন্মদিনের সকালে রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন কাঞ্চন। এবার উত্তরপাড়া থেকে বিধায়কের জন্য টিকিট পাননি অভিনেতা। এক সময়ে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অপমান করেছিলেন কাঞ্চনকে। এত দিন সেই ঘটনা নিয়ে বিশেষ কথা বলতেন না অভিনেতা।

অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক জন্মদিন সেলিব্রেট করলেন, পরিবারের সঙ্গে। শ্রীময়ী চট্টরাজ আর মেয়ে কৃষভিকে নিয়ে কেক কেটে তিনি জন্মদিন পালন করেন আগের রাতেই। জন্মদিনের সকালে রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন কাঞ্চন। এবার উত্তরপাড়া থেকে বিধায়কের জন্য টিকিট পাননি অভিনেতা। এক সময়ে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অপমান করেছিলেন কাঞ্চনকে। এত দিন সেই ঘটনা নিয়ে বিশেষ কথা বলতেন না অভিনেতা।
বাংলা তৃণমূল কংগ্রেসকে যেভাবে ফিরিয়ে দিল, কোথাও কি ভুল হয়েছিল? কাঞ্চন বললেন, ”সত্যেরে লও সহজে…একজন মানুষ বোকা হতে পারেন, দু’ জন বোকা হতে পারেন, সকলে বোকা নন। জনগণের সেবায় কোথাও খামতি হয়েছে। জনগণ যা রায় দিয়েছেন, তা দেখেই বলা যায়, ভুল হয়েছিল। ভুল হয়েছিল। কোথাও ভুল হয়েছিল। অনেকগুলো ভুল হয়েছে। কী বলব আর… এই যে ৭৭ জন দক্ষ বিধায়ককে সরানো হল, আমি আমার কথা বলছি না, আমি তুলনায় নতুন, তাঁদের সরিয়ে দিয়ে, নতুনদের আনা হল, সেটাও তো একটা কারণ হতে পারে! দলটা মানুষের থাকলে হয়, কিন্তু সেটাকে জোর করে কর্পোরেট বানানোর চেষ্টা করলে মুশকিল!”
এই কর্পোরেট কালচার কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনা? কাঞ্চন বললেন, ”নৌকা ডুবে যাওয়ার পর, ক’টা ফুটো ছিল সে কথা বলে কি আর লাভ আছে? ঠিক সময়ে সাবধান হতে পারলে তো ভালোই হত, কিন্তু কথা নাবিকের কানে গেল কই?”
এক সময়ে প্রচারে অপমানিত হয়েছিলেন কাঞ্চন মল্লিক। তাঁকে প্রচারের গাড়ি থেকে নেমে যেতে বলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। TV9 বাংলাকে কাঞ্চন বললেন, ”এখনও বলব, আমাকে দিনের আলোয় এত জনের মাঝে যেভাবে অপমানিত হতে হয়েছিল, সেটা যে অপমানিত হয়, শুধু সে-ই বোঝে। তখন কিছু বলিনি। বললে দলের অসম্মান হত। মুখ্যমন্ত্রীর অসম্মান হত। আজকে আর নতুন করে কিছু বলব না। শুধু এটুকু বলি, উনি যদি মানুষের ধর্ম পালন করেন, যদি মানুষ হন, তা হলে আজ টের পেয়েছেন ঔদ্ধত্যের ফল কী হয়।”
