হিন্দুধর্মের আদর্শেই বড় হচ্ছে প্রিয়াঙ্কার মেয়ে মালতি! কেন জানেন?
নিক স্বীকার করেছেন, তাঁরা একটি বহুসাংস্কৃতিক পরিবার। একদিকে পশ্চিমি জীবনধারা, অন্যদিকে ভারতীয় ঐতিহ্য দুটোকে মিলিয়ে চলাকেই তাঁরা শক্তি হিসেবে দেখেন। প্রিয়াঙ্কার হাত ধরে নিক ভারতীয় উৎসব, রীতি, পরিবারকেন্দ্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন। দীপাবলি হোক বা ঘরোয়া পুজো এই সব মুহূর্ত তাদের কাছে শুধু উৎসব নয়, বরং মূল্যবোধ শেখার সময়।

হলিউডের ঝলমলে দুনিয়া, গ্লোবাল মঞ্চ, কনসার্টের আলো এই সবের মাঝেই নিক জোনাসের জীবনে এখন একেবারে অন্য রকম একটা অধ্যায় চলছে। ছোট্ট মেয়ে মালতি আর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে নিয়ে সুখে সংসার করছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিক হিন্দু ধর্মের প্রতি নিজের অনুভূতির কথা বলেছেন। নিক স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নেওয়ার পর ভারতীয় ভাবনা, বিশেষ করে হিন্দু ধর্মের দর্শন তাঁকে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে।
তাঁর মতে, হিন্দুধর্ম শুধু নিয়ম-কানুনের মধ্যে আটকে নেই, বরং এটি জীবনকে সহজ, মানবিক ভাবে দেখার পথ। আর সেই পথ ধরেই তিনি আর প্রিয়াঙ্কা তাঁদের মেয়েকে বড় করতে চান।
নিকের কথায় বারবার উঠে এসেছে ‘কর্ম’-এর ধারণা। তিনি বলেন, কর্মের শিক্ষা খুব সহজ। আপনি যেমন কাজ করবেন, জীবন আপনাকে তেমনটাই ফিরিয়ে দেবে। ভালো করলে ভালো, খারাপ করলে তার প্রভাবও ফিরেই আসে। এই ভাবনাটা শুধু ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, বরং প্রতিদিনের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটা শিক্ষা বলে মনে করেন নিক। নিকের মতে, এই দর্শন ছোট থেকেই মালতির মনে গেঁথে দিতে চান তাঁরা।
শুধু কর্ম নয়, নিক ‘ধর্ম’-এর অর্থ নিয়েও কথা বলেছেন । তাঁর ব্যাখ্যায় ধর্ম মানে শুধু উপাসনা নয়, বরং সঠিক পথে থাকা, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া, সহানুভূতিশীল হওয়া। এই মূল্যবোধগুলোই তিনি আর প্রিয়াঙ্কা তাদের মেয়ের মধ্যে তৈরি করতে চান যাতে সে বড় হয়ে শুধু সফল নয়, ভালো মানুষও হয়।
নিক স্বীকার করেছেন, তাঁরা একটি বহুসাংস্কৃতিক পরিবার। একদিকে পশ্চিমি জীবনধারা, অন্যদিকে ভারতীয় ঐতিহ্য দুটোকে মিলিয়ে চলাকেই তাঁরা শক্তি হিসেবে দেখেন। প্রিয়াঙ্কার হাত ধরে নিক ভারতীয় উৎসব, রীতি, পরিবারকেন্দ্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন। দীপাবলি হোক বা ঘরোয়া পুজো এই সব মুহূর্ত তাদের কাছে শুধু উৎসব নয়, বরং মূল্যবোধ শেখার সময়।
নিকের মতে, মেয়ের বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সে যাতে বিভিন্ন সংস্কৃতির সৌন্দর্য বুঝতে পারে, ভালো-মন্দের পার্থক্য শেখে, আর নিজের শিকড়কে সম্মান করতে জানে—এইটাই তাঁদের সবচেয়ে বড় চাওয়া।
