শুটিং ফ্লোরে মদ-সিগারেট নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব প্রযোজক রানার, চিঠি গেল
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্য়োপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর টলিপাড়ায় শিল্পী-টেকনিশিয়ানদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নতুন এসওপি তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। এর মধ্যে প্রযোজক রানা সরকার ইমপা, আর্টিস্টস ফোরাম এবং টেকনিশিয়ানদের ফেডারেশনকে, নেশা সংক্রান্ত কড়া নিয়ম চালু করার জন্য প্রস্তাব দিলেন।

রাহুল অরুণোদয় বন্দ্য়োপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর টলিপাড়ায় শিল্পী-টেকনিশিয়ানদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নতুন এসওপি তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। এর মধ্যে প্রযোজক রানা সরকার ইমপা, আর্টিস্টস ফোরাম এবং টেকনিশিয়ানদের ফেডারেশনকে, নেশা সংক্রান্ত কড়া নিয়ম চালু করার জন্য প্রস্তাব দিলেন।
সূত্রের খবর, তিনটে সংগঠনের কাছে ই-মেল মারফত রানা এই প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। প্রস্তাবে রয়েছে, “শুটিং চলাকালীন মদ এবং অন্যান্য সাইকোট্রপিক পদার্থের ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। এই নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ শুটিং সূচি জুড়ে বলবৎ থাকবে।আউটডোর শুটিং-এর ক্ষেত্রে, এই নিষেধাজ্ঞা যাত্রা শুরুর সময় থেকে মূল স্থানে প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সক্রিয় প্রোডাকশনের সময় এবং যে কোনও স্টুডিও ফ্লোর, সেট বা লোকেশনের সীমানার মধ্যে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এই নিষেধাজ্ঞা সমস্ত ইনডোর ও আউটডোর শুটিং এলাকায় প্রযোজ্য থাকবে।
যদি কাস্ট ও ক্রুর কোনও সদস্য এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেন, তবে তাঁকে ন্যূনতম ৩ মাসের জন্য কাজে বিরত করা হবে, যা সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং তার সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য হবে। স্থগিতাদেশের মেয়াদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে। উপরোক্ত বিষয়গুলির পাশাপাশি, যদি কাস্ট ও ক্রুর কোনও সদস্যকে মদ্যপ বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, তবে প্রযোজক, পরিচালক, কার্যনির্বাহী প্রযোজক এবং প্রোডাকশন কন্ট্রোলারও সমানভাবে দায়ী এবং উল্লিখিত ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য হবেন। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বিচার বিভাগীয় ফোরামের সামনে চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে। যদি স্ক্রিপ্ট ও গল্পে কোনও দৃশ্যে অ্যালকোহলের ব্যবহার প্রয়োজন হয়, তবে অভিনয়ের জন্য নন-অ্যালকোহলিক বিকল্প এবং নিরাপদ প্রপস ব্যবহার করা হবে।”
রানার এই প্রস্তাবে টলিপাড়া সায় দেয় কিনা, এই প্রস্তাবের থেকে কী-কী গ্রহণযোগ্য হয়, তা জানার অপেক্ষা।
