প্রয়াত রাহুলের বাড়ি পৌঁছালেন জিত্, মা-দাদার সঙ্গে দেখা করলেন
প্রয়াত রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর দশ দিন কেটে গিয়েছে। তবে রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়ি শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি। রবিবার সন্ধেবেলা সেই বাড়িতে পৌঁছালেন নায়ক জিত্। সঙ্গে ছিলেন জিতের ভাই গোপাল মদনানী। একটি ভিডিয়োতে দেখা যায়, বাড়ির দেওয়ালে রাহুলের ছবি। একেবারে ফাঁকা পড়ে রয়েছেন 'সহজ কথা'-র ঘর। যেখানে রাহুল তাঁর পডকাস্টের শুটিং করতেন। রাহুলের লাইব্রেরি ছিল এই ঘরের আকর্ষণ। সেখানে থরে-থরে সাজানো রয়েছে বই।

প্রয়াত রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর দশ দিন কেটে গিয়েছে। তবে রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়ি শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি। রবিবার সন্ধেবেলা সেই বাড়িতে পৌঁছালেন নায়ক জিত্। সঙ্গে ছিলেন জিতের ভাই গোপাল মদনানী। একটি ভিডিয়োতে দেখা যায়, বাড়ির দেওয়ালে রাহুলের ছবি। একেবারে ফাঁকা পড়ে রয়েছেন ‘সহজ কথা’-র ঘর। যেখানে রাহুল তাঁর পডকাস্টের শুটিং করতেন। রাহুলের লাইব্রেরি ছিল এই ঘরের আকর্ষণ। সেখানে থরে-থরে সাজানো রয়েছে বই।
রাহুলের মা দরজা ঠেলে দেখা করতে আসেন জিতের সঙ্গে। সঙ্গে ছিলেন রাহুলের দাদা। দেখেই বোঝা যায়, রাহুলের মৃত্যু গভীরভাবে শোকাহত করেছে তাঁকে। অভিনেতার অকালপ্রয়াণ টলিপাড়াকে ভীষণভাবেই আহত করেছে। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তার জবাবদিহি করতে না পারার জন্য প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ করেছেন আর্টিস্টস ফোরামের সদস্য এবং টেকনিশিয়ানদের ফেডারেশনের সদস্যরা। রাহুলের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে এক মিছিলে হেঁটেছে নাগরিক সমাজ। রাহুলের সঙ্গে কাজ করেছেন, এমন বহু শিল্পী-টেকনিশিয়ানকে হাঁটতে দেখা যায় মিছিলে।
এরপর আর্টিস্টস ফোরামের তরফে একটা মিটিং ডাকা হয়। সেই মিটিংয়ে দেখা যায়নি নায়ক জিতকে। মিছিলেও দেখা যায়নি নায়ক জিতকে। একেবারে ১০ এপ্রিল, তিনি সরাসরি পৌঁছে যান রাহুলের বাড়ি। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন নায়ক, সে কথা জানালেন উপস্থিত এক ব্যক্তি, যিনি নাম প্রকাশ করতে চাননি।
এদিন উপস্থিত ছিলেন রাহুলের গাড়ি চালাতেন যিনি, সেই ব্যক্তি। রাহুলকে তিনিই গাড়ি চালিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন তালসারির শুটিংয়ে। দুর্ঘটনার সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এই ঘটনায় রাহুলের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের তরফে এফআইআর করা হয়েছে। তদন্ত কোন পথে এগোবে, এখন সেটা দেখার অপেক্ষা।
