AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Shatrughan Sinha Mamata Banerjee: মোদীর প্রশংসা করেও দুর্দিনে মমতার পাশে থাকার অঙ্গীকার শত্রুঘ্নর

Shatrughan Sinha: তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যোগদানের খবর উড়িয়ে দিলেন আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি সাফ জানিয়েছেন, কঠিন সময়ে নেত্রীকে ছেড়ে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

Shatrughan Sinha Mamata Banerjee: মোদীর প্রশংসা করেও দুর্দিনে মমতার পাশে থাকার অঙ্গীকার শত্রুঘ্নর
| Updated on: Jun 11, 2026 | 4:29 PM
Share

তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) অন্দরে যখন একের পর এক সাংসদের বিদ্রোহ নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই আসানসোলের তারকা সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহাকে (Shatrughan Sinha) নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো, আর অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় তাঁর নাম জড়িয়ে যাওয়া, সব মিলিয়ে বিতর্ক তৈরি হচ্ছিল। তবে দিল্লির স্পিকারের কাছে পাঠানো চিঠিতে সই করার জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে নিজের চেনা মেজাজেই মুখ খুললেন বলিউডের ‘শটগান’। সাফ জানিয়ে দিলেন, দুর্দিনে যিনি হাত ধরেছিলেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাশ থেকে সরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

তৃণমূলের অন্দরে এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে এক বড়সড় ভাঙনের শব্দ। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়ের মতো হেভিওয়েট ১৯ জন সাংসদ যখন বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েছেন বলে খবর, ঠিক তখনই শত্রুঘ্ন সিনহার অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। বুধবার জানা যায়, চিঠিতে এখনও স্বাক্ষর করেননি আসানসোলের সাংসদ। এরপরই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, “২০১৯ সালে পাটনা নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর যখন আমি এক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন খুব কম মানুষই আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। যে অল্প কয়েকজন আমাকে সমর্থন ও উৎসাহ দিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাঁদের মধ্যে একজন। তাঁরই নির্দেশে আমি আসানসোল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলাম। ঈশ্বরের কৃপায়, মমতা ও আসানসোলের জনগণের সমর্থনে আমি জয় লাভ করি। গত কয়েকদিন ধরে আমাকে নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা চলছে। কেউ কেউ সত্যি কথা বলছেন, আবার কেউ কেউ গুজব ছড়াচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “কেউ কেউ দাবি করেছেন যে আমি তথাকথিত বিদ্রোহী দলে যোগ দিয়েছি। হ্যাঁ, স্বভাবগতভাবেই আমি বরাবরই স্পষ্টভাষী। আমি প্রায়ই বলি, সত্যি কথা বলা যদি বিদ্রোহ হয়, তাহলে আমিও একজন বিদ্রোহী। আমি সবসময় অকপটে কথা বলেছি এবং যা সত্যি তাই বলেছি। কিন্তু আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই যে, মমতা আমার কঠিন সময়ে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং আজ তাঁর এই কঠিন সময়ে আমি তাঁকে ত্যাগ করতে পারি না। ঈশ্বরের আশীর্বাদে আমি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক, ‘জোড়া ফুল’—দিয়ে একবার নয়, দুবার নির্বাচিত হয়েছি। তাই, মমতা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে দাঁড়ানো আমার কর্তব্য ও দায়িত্ব।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর ১২ বছর পূর্তিতে শত্রুঘ্নর করা টুইটটি ছিল স্রেফ রাজনৈতিক সৌজন্য। ফলে শত্রুঘ্নকে নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্ত জল্পনায় আপাতত ইতি পড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Follow Us