AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ওরি- সারার মধ্যে তুমুল ঝগড়া, নেপথ্যে কোন কারণ?

অন্যদিকে, এই গোটা বিতর্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত সারা আলি খান বা তাঁর পরিবারের তরফে কোনও প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তাঁদের এই নীরবতাই বিতর্ককে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। অনেকেই মনে করছেন, বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়েই তাঁরা দূরে থাকতে চাইছেন।

ওরি- সারার মধ্যে তুমুল ঝগড়া, নেপথ্যে কোন কারণ?
| Updated on: Jan 28, 2026 | 1:57 PM
Share

এক সময় বলিউডের অন্দরমহলে সারা আলি খান-ওরির বন্ধুত্ব ছিল চোখে পড়ার মতো। পার্টি, আড্ডা দেওয়া থেকে শুরু করে একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়া, প্রায় সব জায়গাতেই দুজনকে একসঙ্গে দেখা যেত। তবে সেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক যে হঠাৎ এমন তিক্ততায় বদলে যাবে, তা হয়ত কেউই ভাবেননি। সম্প্রতি কিছু মন্তব্যের জন্য সম্পর্কে ভাঙন ধরেছে যা নিয়ে জোর চর্চা চলছে বলিপাড়ায়।

ওরির একটি মন্তব্য পাল্টে দিয়েছে তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ। সামাজিক মাধ্যমে এক অনুরাগী মজা করে লেখেন, “অমৃতা আন্টি তো খুব রেগে গিয়েছেন।” এই কথার উত্তরে ওরি লেখেন, “তাঁর মাথায় বরফের জল ঢেলে দাও।” এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। অনেকেই মনে করেন, এই মন্তব্য শুধু অশালীনই নয়, বরং এতে সরাসরি সারা আলি খানের মা অমৃতা সিংকে অসম্মান করা হয়েছে।

যদিও এই ঘটনাই প্রথম নয়। এর আগেও ওরি একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন, যেখানে কিছু নাম উল্লেখ করা হয়। সেই তালিকায় ছিল সারা ও অমৃতার নাম। যদিও ভিডিয়োটি কিছুক্ষণের মধ্যেই মুছে ফেলা হয়, তবে নেটিজেনদের চোখ এড়ায়নি। ডিলিট করার আগেই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে যায়। অনেকেই মনে করেন, ওই পোস্টের মাধ্যমেই ওরি ইচ্ছাকৃতভাবে সারা আলি খান ও তাঁর পরিবারকে নিশানা করেছিলেন।

এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন সারা আলি খান ও তাঁর ভাই ইব্রাহিম আলি খান দুজনেই ওরিকে সামাজিক মাধ্যম থেকে অনুসরণ করা বন্ধ করে দেন। এতদিনের বন্ধুত্বের পর অভিনেত্রীর এই পদক্ষেপ দেখে সকলেই বুঝতে পেরেছেন বেশ ফাটল ধরেছে সম্পর্কে। ওরি আরেকটি মন্তব্যে সারা আলি খানের কাজ নিয়ে কটাক্ষ করেন। অনেকের মতে, ওই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি অভিনেত্রীর অভিনয় জীবন নিয়েই ব্যঙ্গ করেছেন। এই মন্তব্যের পরেই নেটদুনিয়ায় ওরির বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু মানুষ বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমস্যা প্রকাশ্যে এনে এমন আক্রমণ করা যুক্তিযুক্ত নয়।

এই সমস্ত ঘটনার মাঝেই ওরি ইঙ্গিত দেন, খুব শীঘ্রই তিনি প্রকাশ্যে জানাবেন সারা আলি খানের সঙ্গে তাঁর দূরত্বের আসল কারণ। তাঁর দাবি, বিষয়টি শুধু বন্ধুত্ব ভাঙার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন তিনি। ওরির বক্তব্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতির জন্য সারা আলি খানের মা অমৃতা সিং-এর ভূমিকা রয়েছে। এমনকী তিনি এটাও বলেন, অমৃতা সিং যদি তাঁর কাছে ক্ষমা চান, তাহলেই হয়ত এই বিবাদ মিটবে।

অন্যদিকে, এই গোটা বিতর্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত সারা আলি খান বা তাঁর পরিবারের তরফে কোনও প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তাঁদের এই নীরবতাই বিতর্ককে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। অনেকেই মনে করছেন, বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়েই তাঁরা দূরে থাকতে চাইছেন।

সব মিলিয়ে, সারা আলি খান ও ওরির সম্পর্কের ভাঙন এখন আর নিছক ব্যক্তিগত বিষয় নয়। সামাজিক মাধ্যমের দৌলতে এই দ্বন্দ্ব পরিণত হয়েছে প্রকাশ্য আলোচনায়। এই বিতর্ক শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়ায়, সেটাই এখন দেখার।