সত্যিই কি আসছে ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’র সিক্যুয়েল? জানালেন রণবীর নিজেই
২০১৩ সালে মুক্তি প্রাপ্ত ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন অয়ন মুখার্জি। তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, দ্বিধা, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসার টানাপোড়েন সব মিলিয়ে এটি হয়ে উঠেছিল এক প্রজন্মের ভীষণ কাছের ছবি। দীপিকা পাড়ুকোন-এর সঙ্গে রণবীরের রসায়ন দর্শকের মন জয় করেছিল। পাশাপাশি আদিত্য রায় কাপুর ও কল্কি কোয়েচলিন-এর উপস্থিতিতে ছবিটি দর্শকদের কাছে আজও ভালোলাগার ছবি।

উদয়পুরের সেই বিয়েবাড়ি, বন্ধুদের সেই পাহাড়ি ট্রিপ, নয়না-বানির ভালোবাসার গল্প— ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবির প্রসঙ্গ উঠলেই এক ঝলকেই কত স্মৃতি ভিড় করে আসে! তাই বছর গড়ালেও প্রশ্নটা ঘুরে ফিরে ওঠেই আবার কি ফিরবে সেই বন্ধুত্ব, সেই প্রেম, সেই উচ্ছ্বাসের গল্প? সত্যিই কি আসতে পারে ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’-ছবির সিক্যুয়েল? অবশেষে জানালেন রণবীর কাপুর নিজেই।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তাঁকে সরাসরি জিজ্ঞেস করা হয়, এত জনপ্রিয় ছবির দ্বিতীয় পর্ব কি সম্ভব? রণবীরের স্পষ্ট জানান তিনি মনে করেন না এর সিক্যুয়েল হওয়া উচিত। তাঁর কথায়, ছবির শেষটাই ছিল একেবারে পরিপূর্ণ। বানি ও নয়নার জীবনের যে সিদ্ধান্তে গল্প শেষ হয়েছিল, সেটাই ছিল তাঁদের যাত্রার স্বাভাবিক সমাপ্তি। সেই আবেগকে আবার টেনে বাড়ালে ভালো লাগবে না বলে মনে করেন অভিনেতা।
২০১৩ সালে মুক্তি প্রাপ্ত ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন অয়ন মুখোপাধ্যায়। তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, দ্বিধা, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসার টানাপোড়েন সব মিলিয়ে এটি হয়ে উঠেছিল এক প্রজন্মের ভীষণ কাছের ছবি। দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে রণবীরের রসায়ন দর্শকের মন জয় করেছিল। পাশাপাশি আদিত্য রায় কাপুর ও কল্কি কোয়েচলিন-এর উপস্থিতিতে ছবিটি দর্শকদের কাছে আজও ভালোলাগার ছবি।
রণবীর মনে করিয়ে দেন, প্রতিটি ছবিরই একটা সময় থাকে। ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছিল সেই সময়ের তরুণদের গল্প এখন চরিত্রগুলোর বয়স বেড়েছে, জীবন বদলেছে। নতুন গল্প লেখা যেতেই পারে, কিন্তু আগের সেই আবেগ কি ফিরে আসবে? সেই বিষয়ে সংশয় আছে অভিনেতার।
বলিউডে যেখানে জনপ্রিয় ছবির সিক্যুয়েল তৈরির প্রবণতা বাড়ছে, সেখানে রণবীরের এই মন্তব্য আলাদা করে নজর কেড়েছে ভক্তদের। কিছু গল্প স্মৃতিতেই সুন্দর। বানি-নয়নার প্রেম আর রূপালি পর্দায় নয়, দর্শকের মনে থাকুক আগের মতোই অমলিন।
