Amit Shah-Mamata: ‘ভোটব্যাঙ্কের জন্য হিন্দু-মুসলিম বিভেদ করছেন মমতা’, CAA ইস্যুতে মমতাকে কড়া জবাব শাহের
Amit Shah-Mamata: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ ইস্যুতে বারবার আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রকে। তিনি দাবি করেছেন, সিএএ আর এনআরসি সমান। এই আইন কার্যকর হওয়ার ফলে অনেকেই সমস্যায় পড়বেন বলে দাবি করেছেন মমতা। এবার সেই ইস্যুতেই মমতাকে জবাব দিয়েছেন অমিত শাহ।

নয়া দিল্লি: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতা করে বারবার রাস্তায় নেমেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার আইন কার্যকর হয়ে যাওয়ার পর আরও বাড়িয়েছে আক্রমণের ঝাঁঝ। বিভিন্ন সভায় গিয়ে বারবার মমতা দাবি করছেন, মুসলিমদের বঞ্চিত করা হচ্ছে এই আইনে। ‘বর্ণ বৈষম্যের সিএএ’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। এবার সেই ইস্যুতেই মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া জবাব দিলেন অমিত শাহ। ‘অনুপ্রবেশে মদত দিচ্ছেন’ বলে মমতাকে সরাসরি আক্রমণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সম্প্রতি সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাগরিকত্ব আইনের ইস্যুতে যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, “বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসবে, সেই দিন বেশি দূরে নেই।” মমতার উদ্দেশে তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত এমন একটি ইস্যুতে আপনি রাজনীতি করছেন। আপনি যদি এভাবে তোষণের রাজনীতি করতে থাকেন আর শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে না চান, তাহলে মানুষ আপনার পাশে আর থাকবে না।” অমিত শাহ আরও বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থীর মধ্যে পার্থক্য বোঝেন না মমতা।’
বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দুদের কোনও ক্ষতি করবেন না, এই ভাষাতেই মমতাকে কার্যত বার্তা দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, রাজনীতি করার জন্য আরও অনেক প্লাটফর্ম আছে। শাহের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা করছেন ভোটব্যাঙ্কের কথা ভেবে। সিএএ যে বাংলাতেও কার্যকর হবেই, সে কথা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বুঝিয়ে দিয়েছেন শাহ।
২০১৯ সালে সংসদে পাশ হয় সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। গত সোমবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সেই আইন কার্যকর করেছে কেন্দ্র। দেশ জুড়ে কার্যকর হয়েছে সেই আইন। নতুন এই আইন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে মুসলিম বাদে ধর্ম- হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের যে সব মানুষ প্রতিবেশী তিন দেশ থেকে ভারতে এসেছেন, তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে খুশি বহু মানুষ।
