Supreme Court: ‘কখন কুকুরের মুড হয় কামড়ানোর, কেউ বলতে পারে না’, পথকুকুর প্রেমীদের পাল্টা প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের
Supreme Court on Stray Dogs: তিন বিচারপতির বেঞ্চের তরফে বলা হয় যে আচরণ দেখে কোন কুুকুর ভয়ঙ্কর, তা অনুমান করা অসম্ভব। বিচারপতি বিক্রম নাথ বলেন, "এটা শুধু কামড়ানোর বিষয় নয়, কুকুরের জন্য যে ঝুঁকি বা দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলিও। আপনি কীভাবে চিহ্নিত করবেন? সকালে কোন কুকুরের কী মুড থাকে, তা কেউ জানে না।"

নয়া দিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে পথ কুকুরদের নিয়ে মামলায় এবার অন্য প্রাণীদের নিয়ে প্রশ্ন। বুধবার, ৭ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট পথকুকুরদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মামলার শুনানিতে প্রশ্ন করল, “অন্য প্রাণীদের জীবনের কী হবে? মুরগি-ছাগল, এদের কি জীবন নেই?”
পথকুকুর স্কুল, হাসপাতাল বা আদালত চত্বরে থাকবে কেন, এই প্রশ্ন তুলেই সুপ্রিম কোর্ট বলে যে পশুদের আচরণ কেউ কখনও বলতে পারে না। কেউ বলতে পারে না যে পশুর কখন মুড হয় কামড়ানোর। শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হয় যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পথকুকুর নিষিদ্ধ করা হয়েছে, রাস্তাঘাটে নয়। এখানে (শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে) কুকুরের দরকার কী?
বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা ও বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে মামলার শুনানি চলছিল। তিন বিচারপতির বেঞ্চের তরফে বলা হয় যে আচরণ দেখে কোন কুুকুর ভয়ঙ্কর, তা অনুমান করা অসম্ভব। বিচারপতি বিক্রম নাথ বলেন, “এটা শুধু কামড়ানোর বিষয় নয়, কুকুরের জন্য যে ঝুঁকি বা দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলিও। আপনি কীভাবে চিহ্নিত করবেন? সকালে কোন কুকুরের কী মুড থাকে, তা কেউ জানে না।”
আজ এই মামলার শুনানিতে এক পশুপ্রেমীর বক্তব্য ছিল, “আমরা পথকুকুরদের পাউন্ডে পাঠানোর কথা বলছি। যদি পথকুকুর না থাকে, তাহলে আবর্জনা ও বাঁদরের কী হবে?” আইনজীবী কপিল সিবল বলেন, “আমরা এখানে কুকুরপ্রেমী ও পরিবেশপ্রেমী হিসাবে হাজির হয়েছি।”
প্রসঙ্গত, গত বছরের নভেম্বর মাসেই শীর্ষ আদালতে পথকুকুরদের কামড়ানোর বিষয়টি ওঠে। এরপরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও রেলওয়ে স্টেশনে পথকুকুরদের নিষিদ্ধ করা হয়। টিকাকরণ ও নির্বীজকরণের পর ডগ শেল্টারে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
