AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

বড় সমস্যার মুখে ‘ধুরন্ধর’, ছবির উপর কোন নিষেধাজ্ঞা ধেয়ে এলো?

আদিত্য ধর পরিচালিত স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’–এর রেকর্ডভাঙা বক্স অফিস যাত্রা এবার বড়সড় কূটনৈতিক জটিলতার মুখে পড়েছে। ভারতীয় বক্স অফিসে ঐতিহাসিক সাফল্য সত্ত্বেও, মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর জেরে ভারতীয় মোশন পিকচার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন (IMPPA) কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে।

বড় সমস্যার মুখে 'ধুরন্ধর', ছবির উপর কোন নিষেধাজ্ঞা ধেয়ে এলো?
| Edited By: | Updated on: Jan 08, 2026 | 1:22 PM
Share

আদিত্য ধর পরিচালিত স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’–এর রেকর্ডভাঙা বক্স অফিস যাত্রা এবার বড়সড় কূটনৈতিক জটিলতার মুখে পড়েছে। ভারতীয় বক্স অফিসে ঐতিহাসিক সাফল্য সত্ত্বেও, মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর জেরে ভারতীয় মোশন পিকচার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন (IMPPA) কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে।

২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি IMPPA প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ জানায়, যাতে তিনি “ভারত-বন্ধু” উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বিষয়টি উত্থাপন করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করেন। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হলো সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, বাহরিন, কুয়েত, কাতার, ওমান ও সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত, যারা ছবিটির মুক্তি সীমিত করেছে। IMPPA ছবিটির প্রযোজকদের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে জানিয়েছে যে, মুক্তির আগে সিনেমাটি ভারতের সমস্ত অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রক অনুমোদন সফলভাবে অতিক্রম করেছিল।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে IMPPA-র সভাপতি অভয় সিনহা ও সংগঠনটি এই সিদ্ধান্ত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা আপনার সদয় হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করছি, কারণ সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, বাহরিন, কুয়েত, কাতার, ওমান ও সৌদি আরব কর্তৃক ‘ধুরন্ধর’ ছবিটির উপর আরোপিত এই একতরফা ও অকারণ নিষেধাজ্ঞা আমাদের সদস্য প্রযোজকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে দমন করছে। আমাদের সদস্য প্রযোজক সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পরই ছবিটি মুক্তি দিয়েছেন এবং এই ছবি ইতিমধ্যেই ভারতীয় সিনেমার অন্যতম বড় হিট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।”

মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় সিনেমার, বিশেষত উচ্চমাত্রার অ্যাকশন ছবির, একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এই দেশগুলোতে মুক্তি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ছবিটি বিদেশি আয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। IMPPA আরও উল্লেখ করেছে যে, এই দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ়, ফলে এমন হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা আরও বিস্ময়কর। চিঠির শেষাংশে জরুরি পদক্ষেপের আবেদন জানিয়ে বলা হয়, “এটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে আমরা আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।”

এদিকে, ‘ধুরন্ধর’ ভারতসহ আন্তর্জাতিক বাজারে তার ব্লকবাস্টার যাত্রা অব্যাহত রাখলেও, বাহরিন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী—এই ছয়টি উপসাগরীয় দেশে ছবিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে, ছবিটির কথিত পাকিস্তান-বিরোধী অবস্থান এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়বস্তুর কারণেই এই নিষেধাজ্ঞা।