AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Ganesh puja 2026: পুজোর আগেই পার্বতীর সঙ্গে হাজির গণেশ! পুকুর পাড়ের দৃশ্য দেখে চমকে উঠলেন শিক্ষক

মুকুট না থাকায় তাঁর স্বাভাবিক শিশুসুলভ অবয়ব আরও স্পষ্ট হয়েছে। ভাস্কর্যের গঠন, শিল্পরীতি ও অলংকরণ বিশ্লেষণ করে ইতিহাসবিদেরা এটিকে দ্বাদশ শতকের বলে মনে করছেন। আদিলাবাদের কাছের জৈনথে অবস্থিত লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের ভাস্কর্যশৈলীর সঙ্গে এর মিল রয়েছে।

Ganesh puja 2026:  পুজোর আগেই পার্বতীর সঙ্গে হাজির গণেশ! পুকুর পাড়ের দৃশ্য দেখে চমকে উঠলেন শিক্ষক
মূর্তি উদ্ধারImage Credit: Tv9 Bangla
| Updated on: Sep 13, 2026 | 1:17 PM
Share

উৎসবের মরশুম শুরু হবে আর কয়েকদিন পর। আগামিকাল অর্থাৎ সোমবার গণেশ পুজো। তারপরই বাঙালিদের দুর্গাপুজো। তবে গণেশ পুজোর আগে কার্যত ‘অলৌকিক ঘটনা’। অন্তত তেমনটাই দাবি করছেন স্থানীয়রা। কারণ আচমকাই দেবী পার্বতী ও গণেশের একটি মূর্তি উদ্ধার হয়েছে। আর তারপরই হইচই পড়ে গিয়েছে সব জায়গায়।

মায়ের কোলে বসে দুধ পান করছে ছোট্ট গণেশ। মাথায় নেই মুকুট, হাতে ফল নিয়ে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বসে রয়েছেন দেবী পার্বতী। এমনই একটি মূর্তি মিলল তেলঙ্গানার আদিলাবাদে। ইতিহাসবিদদের প্রাথমিক অনুমান, ভাস্কর্যটির বয়স প্রায় ৮০০ বছর। তবে, গণেশ চতুর্থীর সময় এই আবিষ্কার ঘিরে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

জানা যাচ্ছে গ্রামের প্রান্তে একটি পুকুরের পাড়ে গাছের নীচে থাকা পাথরের উপর ভাস্কর্যটি দেখতে পান স্থানীয় ইতিহাসের শিক্ষক রোড্ডাওয়ার পৃথ্বীরাজ। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ‘নতুন তেলঙ্গানা ইতিহাস’ দলের আহ্বায়ক রামোজু হরগোপাল এবং প্লিচ ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের সিইও ঈমনি শিবনাগিরেড্ডি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাস্কর্যটি খতিয়ে দেখেন।

গবেষকদের মতে, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানায় পার্বতীর সঙ্গে বাল গণেশের এমন ভাস্কর্য আগে পাওয়া যায়নি। সাধারণত গণেশের মূর্তিতে তাঁকে একদন্ত, লম্বোদর, হাতে অস্ত্র এবং মাথায় মুকুটসহ দেখা যায়। কিন্তু এই ভাস্কর্যে একেবারেই ভিন্ন রূপ ফুটে উঠেছে। পার্বতীর বাঁ উরুর উপর বসে থাকা শিশুরূপী গণেশ মায়ের দুধ পান করছেন। মাথায় মুকুট না থাকায় তাঁর স্বাভাবিক শিশুসুলভ অবয়ব আরও স্পষ্ট হয়েছে।

ভাস্কর্যের গঠন, শিল্পরীতি ও অলংকরণ বিশ্লেষণ করে ইতিহাসবিদেরা এটিকে দ্বাদশ শতকের বলে মনে করছেন। আদিলাবাদের কাছের জৈনথে অবস্থিত লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের ভাস্কর্যশৈলীর সঙ্গে এর মিল রয়েছে। খ্রিস্টীয় ১১০৪ সালের কাছাকাছি মালব দেশের পারমার রাজা জগদেবের সময়কার শিল্পরীতির বৈশিষ্ট্যও এতে প্রতিফলিত হয়েছে বলে গবেষকদের অনুমান।

তবে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাস্কর্য কীভাবে গ্রামের প্রান্তে গাছের নীচে এল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ওই এলাকায় কোনও প্রাচীন মন্দির ছিল কি না, অথবা অন্য কোথাও থেকে ভাস্কর্যটি এনে সেখানে স্থাপন করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Follow Us