Helicopter Crash : ফের ভারতের আকাশে বিপত্তি! ওড়ার ৪৫ মিনিটের মধ্যে সমুদ্রে ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার
Helicopter Crash : বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হেলিকপ্টারটি সকাল ৮টা ৪৫ নাগাদ শ্রী বিজয়া পুরম (পোর্ট ব্লেয়ার) থেকে উত্তর ও মধ্য আন্দামান জেলার মায়াবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। সকাল ৯.৩০ নাগাদ উড়ানে হঠাৎ যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। তারপরই মায়াবন্দরের কাছে সমুদ্রে ভেঙে পড়ে ওই কপ্টার।

পোর্টব্লেয়ার: ঝাড়খণ্ডের পর এবার আন্দামান। ফের আকাশপথে বিপত্তি। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমুদ্রে ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার। মঙ্গলবার সকালে শ্রী বিজয় পুরম (পোর্ট ব্লেয়ার) থেকে মায়াবদন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয় পবন হংস সংস্থার হেলিকপ্টারটি । কিন্তু ওড়ার প্রায় ৪৫ মিনিটের মধ্যেই ঘটে গেল বড় দুর্ঘটনা । জানা গিয়েছে ওই হেলিকপ্টারে ক্রু সদস্যকে নিয়ে মোট ৭ জন যাত্রী ছিলেন। তবে, প্রত্যেককেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর।
বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হেলিকপ্টারটি সকাল ৮টা ৪৫ নাগাদ শ্রী বিজয়া পুরম (পোর্ট ব্লেয়ার) থেকে উত্তর ও মধ্য আন্দামান জেলার মায়াবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। সকাল ৯.৩০ নাগাদ উড়ানে হঠাৎ যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। তারপরই মায়াবন্দরের কাছে সমুদ্রে ভেঙে পড়ে ওই কপ্টার।
বিমানে দুইজন ক্রু সদস্য ছিলেন। বাকি পাঁচজন যাত্রী। তাঁদের মধ্যে একজন শিশু ছিল বলে জানা গিয়েছে। সাতজনকে নিয়েই সমুদ্রে ভেঙে পড়ে হেলিকপ্টারটি। তাঁদের মাঝ সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তবে, প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
পবন হংসের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আজ সকাল ৯.৩০ টার দিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের মায়াবন্দরের কাছে একটি পবন হংস হেলিকপ্টার সমুদ্রে ভেঙে পড়ে। হেলিকপ্টারটি পোর্ট ব্লেয়ার থেকে দুইজন ক্রু সদস্য এবং পাঁচজন যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিল। সকলকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তারা নিরাপদে রয়েছেন।” তবে, কী কারণে হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়ে, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সমুদ্রে হেলিকপ্টারটি বাধ্য হয়ে অবতরণ করাতে হয় পাইলটকে। সঠিক কারণ কী, তা জানার জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাতেই ভেঙে পড়ে একটি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স। জানা গিয়েছে, রোগীকে নিয়ে রাঁচী থেকে দিল্লি যাচ্ছিল ওই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। তারপর চাতরা জেলার সীমারিয়ার কাছে গভীর জঙ্গলে বিমানটি ভেঙে পড়ে। সন্ধে ৭টা ১১ মিনিটে রাচী থেকে রওনা দেয় বিমানটি। রাত ১০টায় দিল্লিতে অবতরণের কথা ছিল। কিন্তু, উড়ানের ২০ মিনিটের মধ্যেই এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে থাকা ৭ জনেরই ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়েছে। রাঁচী বিমানবন্দরের ডিরেক্টর বিনোদ কুমার বলেন, “খারাপ আবহাওয়ার জেরে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবে তদন্তের পরই দুর্ঘটনার আসল কারণ জানা যাবে।”
