Raghu Rai death: ক্যামেরার লেন্সে তুলে ধরেছিলেন দেশের ‘আত্মা’, প্রয়াত কিংবদন্তি চিত্র সাংবাদিক রঘু রাই
Photo Journalist Raghu Rai Passes Away: সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে নিতিন রাই জানিয়েছেন, দুই বছর আগে বাবার প্রোস্টেট ক্যানসার ধরা পড়েছিল। পরে তিনি সুস্থও হয়ে যান। কিন্তু, সেই ক্যানসার পরে পেটে ছড়িয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটাও সেরে যায়। সম্প্রতি তা আবার মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। এর সঙ্গে বয়সজনিত সমস্যাও ছিল। অর্থাৎ ক্যানসার বারবার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন বেশ কয়েকদিন। বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

নয়া দিল্লি : প্রখ্যাত চিত্র সাংবাদিক রঘু রাই প্রয়াত। ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। বেশ কয়েকদিন ধরে একটি বেসরকারি হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন। আজ ভোরে তাঁর মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত করেছেন তাঁর পরিবার। রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ নয়াদিল্লির লোধি শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে জানিয়েছেন চিত্র সাংবাদিকের পরিবার। ছবির দুনিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক প্রায় ৫০ বছরের বেশি। স্বাভাবিকভাবেই রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ শিল্পমহল ও সংবাদজগত।
ক্যানসারে ভুগছিলেন রঘু রাই
সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে নিতিন রাই জানিয়েছেন, দুই বছর আগে বাবার প্রোস্টেট ক্যানসার ধরা পড়েছিল। পরে তিনি সুস্থও হয়ে যান। কিন্তু, সেই ক্যানসার পরে পেটে ছড়িয়ে পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটাও সেরে যায়। সম্প্রতি তা আবার মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। এর সঙ্গে বয়সজনিত সমস্যাও ছিল। অর্থাৎ ক্যানসার বারবার শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন বেশ কয়েকদিন। বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
রঘুর লেন্সে ভারতের ছবি
রঘু রাই একজন প্রখ্যাত চিত্রসাংবাদিক। ভারতের বহুবিধ রূপ ধরা পড়েছে তাঁর ক্যামেরায়। অনেকে বলেন, তাঁর ছবিতে একটা প্রাণ আছে। তাঁর প্রত্যেকটা ছবি যেন কথা বলে। তাঁর ক্যামেরায় বন্দী হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, দলাই লামা থেকে মাদার টেরেসা-সহ আরও অনেকে। তাঁর তোলা ১৯৮৪ সালে ভোপাল গ্যাস বিপর্যয়ের ছবিও সমাদৃত। শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশকেও লেন্সবন্দী করেছেন রঘু রাই।
১৯৬৫ সাল থেকে তিনি ছবির জগতের সঙ্গে যুক্ত। রঘু রাইয়ের বয়স তখন ২৩ বছর। ছবি তোলা শুরু সেই থেকেই। এক বছর পর অর্থাৎ ১৯৬৬ সালে ‘স্টেটসম্যান’ পত্রিকায় প্রধান চিত্রসাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন। প্রায় এক দশক ধরে সেই প্রকাশনা সংস্থার সঙ্গে কাজ করেন। এরপর তিনি কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক নিউজ ম্যাগাজিনে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে কিংবদন্তি চিত্রগ্রাহক অঁরি কার্তিয়ে ব্রেসোঁর নজরে আসে তাঁর কাজ। বিশেষভাবে সমাদৃত হয় তাঁর কাজ। পেশাগত জীবনে একাধিক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭২ সালে তাঁকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পদ্মশ্রীও দেওয়া হয়।
