Adhir on TMC: ‘শুধু মাত্র ফ্যানটুকু চালিয়ে দিয়েছিল বলে..’,সাধারণ মানুষকে মার, পাল্টা বাড়িতে ‘লাঠি’ মজুত করার নিদান অধীরের
Murshidabad Assembly Election: এরপরই তিনি বলেন, "এই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে পাড়ায় মানুষ ঐক্যবদ্ধ হোন।" বাড়িতে বল্লম রাখার নিদান দেন অধীর। বলেন, "ঘরে ঘরে লাঠি-বল্লম রাখুন। দুষ্কৃতীরা এলে পাল্টা আক্রমণে নামুন। নয়ত বাঁচার কোনও রাস্তা নেই। এখানে প্রশাসন বলে কিছু নেই।" ঘটনায় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ দায়ের করা হয়। বহরমপুর শহর যুব তৃণমূল সভাপতি পাপাই ঘোষের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায়।

মুর্শিদাবাদ: প্রথম দফার ভোট মিটতেই জায়গায়-জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। আসানসোলে এক কংগ্রেস কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠে এসেছে। অপরদিকে, মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে কংগ্রেস সমর্থকের বাড়িতে হামলার অভিযোগ। এই অবস্থায় বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর নিদান, “বাড়িতে অস্ত্র রাখুন, প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।” যদিও, অধীরের দাবি আহত ব্যক্তি এবং তার পরিবার আদৌ কংগ্রেস সমর্থক কি না তিনি জানেন না।
শনিবার মধ্যরাতে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানেই কৃষ্ণ ঘোষ নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা হয়েছে। ঘটনায় আহত কৃষ্ণবাবু সহ একই পরিবারের তিনজন। তাঁদের বেধড়ক মারধর ও বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। ওই বাড়ির এক মহিলা সদস্য দিয়া ঘোষ বলেন, “শনিবার রাত দশটা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলাম। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের দেখে কুমন্তব্য করেন এবং গায়ে হাত দেয়। এরপর বাড়ি ফিরে আসার কিছু ক্ষণ পর বাড়িতে এসে ভাঙচুর চালায়,মারধর করে। এই ঘটনায় তিন জন জখম হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।”
ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে অধীর বলেন, “ভোটগ্রহণের দিন আমার সঙ্গে শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় করেছিল। এই এলাকার বুথে ধীরে ধীরে ভোট হচ্ছিল। আমি কমিশনকে জানাই। সঙ্গে-সঙ্গে তারা ব্যবস্থা নেয়। যেহেতু অত্যধিক গরম ছিল সেই কারণে আমি একটি মন্দিরে বসেছিলাম। ওরা সেই সময় আমায় জল মিষ্টির কথা বলেন। আমি বারণ করি। তারপর ফ্যান চালিয়ে দেন। এইটুকুই। তাই তাদের উপর আক্রমণ হয়েছে। ওঁরা আমার দলের সমর্থক সেটা আমি বলব না। আমি জানিও না কোন দলের সমর্থক। এরা তো সাধারণ মানুষ।”
এরপরই তিনি বলেন, “এই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে পাড়ায় মানুষ ঐক্যবদ্ধ হোন।” বাড়িতে বল্লম রাখার নিদান দেন অধীর। বলেন, “ঘরে ঘরে লাঠি-বল্লম রাখুন। দুষ্কৃতীরা এলে পাল্টা আক্রমণে নামুন। নয়ত বাঁচার কোনও রাস্তা নেই। এখানে প্রশাসন বলে কিছু নেই।” ঘটনায় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ দায়ের করা হয়। বহরমপুর শহর যুব তৃণমূল সভাপতি পাপাই ঘোষের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায়।
