ঘুঙুরের আওয়াজ, হি হি করে হাড় কাঁপানো হাসি, রাত হলেই কেউ যেন ডুকরে কেঁদে ওঠে…আতঙ্কে হস্টেল থেকে পালিয়ে গেল ৬০০-রও বেশি পড়ুয়া
Students Fled from Hostel: হস্টেলে ভূতের ভয় এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে ২৬৩ জন ছাত্র ও ৩৪৫ জন ছাত্রী বাড়ি ফিরে গিয়েছে। স্কুলের হেডমাস্টার সঞ্জয় চৌধুরী জানিয়েছেন যে ছাত্রীদের অভিযোগ পাওয়ার পরই তাদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সাইকিয়াট্রিস্ট দিয়ে কাউন্সেলিং করানো হয়েছে।

মুম্বই: হস্টেলে টিকতে পারছে না পড়ুয়ারা। আতঙ্কে একে একে সবাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। কীসের আতঙ্ক? ভূতের! কেউ আবার বলছে, অলৌকিক কিছু হচ্ছে হস্টেলের ভিতরে। এইভাবেই হস্টেল ছেড়ে পালিয়েছে ৬০০-রও বেশি পড়ুয়া।
মহারাষ্ট্রের অমরাবতী জেলায় একটি সরকারি হস্টেলে ভূতের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এতটাই ভয় ছড়িয়ে পড়েছে যে কোনও পড়ুয়াই আর হস্টেলে থাকতে চাইছে না। এই আতঙ্কের শুরু হয় যখন প্রথমে কয়েকজন ছাত্রী বলতে শুরু করে যে রাতে হস্টেলের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ আসছে। কোথাও ঘুঙুরের আওয়াড আসছে। কোথাও আবার মহিলা কণ্ঠে হাসি-কান্নার শব্দ আসছে। এই কথা ছড়িয়ে পড়তেই বাকি পডুয়াদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
হস্টেলে ভূতের ভয় এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে ২৬৩ জন ছাত্র ও ৩৪৫ জন ছাত্রী বাড়ি ফিরে গিয়েছে। স্কুলের হেডমাস্টার সঞ্জয় চৌধুরী জানিয়েছেন যে ছাত্রীদের অভিযোগ পাওয়ার পরই তাদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সাইকিয়াট্রিস্ট দিয়ে কাউন্সেলিং করানো হয়েছে। পরীক্ষার পর সাইকিয়াট্রিস্ট জানিয়েছেন, ছাত্রীদের এই অবস্থা ‘সিভিয়ার হিস্টেরিয়া’-র সঙ্গে যুক্ত। অর্থাৎ ছাত্র-ছাত্রীরা তীব্র মানসিক উত্তেজনা বা আতঙ্কে রয়েছেন। আপাতত পড়ুয়াদের কাউন্সেলিং করানো হচ্ছে।
স্থানীয় স্বাস্থ্য আধিকারিক অভিষেক নাইডু পড়ুয়া ও অভিভাবকদের অনুরোধ করেছেন যে তারা যেন ভূত বা অন্য কিছুর ভয় না পায়। নিশ্চয়ই অন্য কোনও সমস্যা হচ্ছে। আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।
