AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

World leaders’ health concerns: কেমন আছেন ট্রাম্প, পুতিন, জিনপিং? বিশ্বের শীর্ষ ৩ রাষ্ট্রনেতার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে জোর গুঞ্জন

Explained: তিন দেশের তিন রাষ্ট্রপ্রধান। একজনের বয়স ৮০। অন্য দু'জনের বয়স ৭৩। প্রথম জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অপর দু'জন হলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বিভিন্ন মহলে এই তিনজনের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সত্যিই কতটা অসুস্থ তাঁরা? পড়ুন টিভি৯ বাংলার বিশেষ প্রতিবেদন।

World leaders' health concerns: কেমন আছেন ট্রাম্প, পুতিন, জিনপিং? বিশ্বের শীর্ষ ৩ রাষ্ট্রনেতার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে জোর গুঞ্জন
কেমন আছেন ট্রাম্প, পুতিন এবং জিনপিং?Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Sep 12, 2026 | 3:12 PM
Share

নয়াদিল্লি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কি গুরুতর অসুস্থ? এই নিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছে তাঁর একটি সাম্প্রতিক ছবি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্পের ডান হাতের চামড়ার বেশ খানিকটা অংশ কালো হয়ে গিয়েছে। কোনও কারণে চামড়া পুড়ে গেলে যেমনটা দেখতে লাগে, অনেকটা তেমন। এই ছবি দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ দাবি করছেন, অতিরিক্ত গল্ফ খেলার কারণে হাতে এমন হতে পারে। তবে অনেকে আবার এই যুক্তি মানছেনও না। এক্স ইউজারদের একটা অংশের দাবি, প্রচুর হ্যান্ডশেক করতে হয় বলে এমন স্থায়ী দাগ হতে পারে।

তবে, ট্রাম্পের হাতে এই দাগ আজকের নয়। এর আগেও এরকম দাগ নিয়েই তিনি সাংবাদিক বৈঠক করেছেন। তবে এবার শুধু হাতের দাগ নয়, ট্রাম্পের ওজন নিয়েও চিন্তিত হোয়াইট হাউসের চিকিৎসকরা। গত ৩ বছরে ট্রাম্পের ওজন ১০ কেজি বেড়েছে। ৮০ বছর বয়সী মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওজন এখন ১০৮ কেজি। বিরোধীরা, এমনকী তাঁর দলেরও কেউ কেউ আড়ালে ট্রাম্পকে ‘ফ্যাট পিগ’ বলে ডাকেন। আর মাত্র ২ পাউন্ড ওজন বাড়লেই ট্রাম্প ওবেসিটি-র আওতায় পড়বেন। মানে, তাঁর উচ্চতার তুলনায় ওজন অনেকটা বেশি হয়ে যাবে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ, ট্রাম্পের ওজন বাড়ার জন্য দায়ী তাঁর খারাপ ডায়েট, লাইফস্টাইল। ট্রাম্পের সতীর্থরা তাঁর ওজন বৃদ্ধি ও প্রি-ডায়াবেটিসের জন্য ট্রাম্পের অতিরিক্তি ভাজাভুজি খাওয়াকে দায়ী করেছেন। বিশেষত মাঝ রাতে।

ট্রাম্পের পাতে প্রায় রোজই থাকে-

  • ম্যাকডোনাল্ডস-এর ফিলেট-ও-ফিশ
  • বিগ ম্যাক-বার্গার
  • ডায়েট কোক, চকোলেট মিল্কশেক
  • ফ্রেঞ্চ ফ্ৰাই, পিজ্জা, চিপস, ওরিও বিস্কুট
  • রকমারি ক্যান্ডি
  • তবে কফি বা মদের নেশা নেই ট্রাম্পের
Donald Trump

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অসুস্থতা নিয়ে নানা খবর ছড়িয়েছে

ট্রাম্প একা নন, রুশ রাষ্ট্রপ্রধান ভ্লাদিমির পুতিনেরও স্বাস্থ্য নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে ক্রেমলিনের অন্দরে। সম্প্রতি এক জনসভায় পুতিন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে কাশতে দেখা যায়। এক হাতে টেবিল আঁকড়ে বসে পড়েন। বাঁ হাতে ট্রাম্পের মতোই কালো, গোল কালসিটের মতো দাগ। তাঁকে এক রাত ক্লিনিকে কাটাতে হয়।

পুতিনকে নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমের জল্পনা-

  • পুতিনের পারকিনসন রোগ হয়ে থাকতে পারে
  • হাত-পায়ে কাঁপুনি, স্থির বসে থাকতে পারেন না
  • নিয়মিত ইনজেকশনের জন্যই নাকি হাতে কালো দাগ
  • ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট
  • যদিও ক্রেমলিন এই সব অভিযোগ বরাবরই উড়িয়েছে

এমনিতে পুতিনের যে সব ছবি নিয়মিত গণমাধ্যমে প্রকাশ করে মস্কো – সে সব দেখলে পুতিনের বয়স যে ৭৩, বোঝা যাবে না। নিয়মিত সাঁতার কাটেন, ঘোড়ার পিঠে চাপেন। ২০২৪ সালে পঞ্চমবারের জন্য প্রেসিডেন্ট হয়ে রুশ সংবিধান বদলে নিজের গদি ২০৩৬ পর্যন্ত নিশ্চিত করেছেন। তাঁর নির্দেশে, বার্ধক্য আটকাতে সরকার বিশেষ গবেষণা চালাচ্ছে। সেখানে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার। মানুষের দেহে ছোট শূকরের কোষ ট্রান্সপ্ল্যান্ট করে বয়সকে আটকানোর চেষ্টা করছেন রুশ বিজ্ঞানীরা। আর এই কাজে পুতিনকে সাহায্য করছেন তাঁরই ছোট মেয়ে।

Vladimir Putin

ভ্লাদিমির পুতিন

বয়স আটকানোর চেষ্টা করছেন পুতিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও। শোনা যাচ্ছে, তাঁর শরীরও খুব একটা ভাল যাচ্ছে না ইদানিং। নির্বাসনে থাকা তিব্বতের প্রাক্তন নেতা লবস্যাং একটি পডকাস্টে দাবি করেছেন, অন্তত দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে চিনা প্রেসিডেন্টের। প্রেসিডেন্ট থাকতে এখন নাকি যে কোনও উপায়ে বার্ধক্য আটকাতে চান তিয়াত্তর বছরের জিনপিং। বেজিংয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে পুতিন ও শি জিনপিংকে ‘অঙ্গ প্রতিস্থাপনের’ মধ্যে দিয়ে অমরত্ব অর্জন নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। জিনপিং বলেন, চিনা গবেষকরা যেভাবে এগোচ্ছেন, ভবিষ্যতে ১৫০ বছর বাঁচা অসম্ভব হবে না।

বিশ্ব নেতাদের স্বাস্থ্যের কথা-ই যদি ওঠে, তাহলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কথা বলতেই হয়। ৭৫ বছর বয়সী নরেন্দ্র মোদী আজও রোজ ভোর ৪ টেয় ঘুম থেকে ওঠেন। তাঁর কর্মক্ষমতা, তাঁর চেয়ে অর্ধেক বয়সীদেরও লজ্জায় ফেলে দেয়। চোখে মুখে বা পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্সে মোদীকে কেউ কখনও ক্লান্ত বা হতাশ দেখেননি। প্রধানমন্ত্রী নিজে একাধিক সাক্ষাৎকারে তাঁর এই সুস্বাস্থ্যের জন্য ভোরে উঠে সূর্য প্রণাম, দিনভর নিয়ন্ত্রিত নিরামিষ খাবার, আদা দেওয়া গরম চা ও সন্ধে ৬ টার পর কিছু না খাওয়াকে কৃতিত্ব দেন।

Follow Us